উত্তর দিনাজ পুর, রাধারানী হালদারঃ- সরষে তেলের বাজারে আগুন। মূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে সরষে তেলের। আর সেই সুযোগেই রমরমিয়ে বিকোচ্ছে তুলনামূলক সস্তা ওই ভেজাল সরষের তেল।ভেজাল তেল মিলের কারখানার হদিস মিলল কালিয়াগঞ্জ।
তেলের মিল না থাকলেও তেল নির্মাণ করা হচ্ছিল বাড়ি থেকে সরষার তেল । গোপন সূত্র খবর পেয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ হাসপাতাল পাড়া অবস্থিত বাপন মোদকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে ৯৬ টি সোরষার তেলের টিন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলে বাপন মোদকের বাবা মারা যাবার পরে দেড় দুই বছর আগের থেকে তেলের কারবার শুরু করে সাইকেল ও মোটরসাইকেল করে হাটে-ঘাটে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করা হতো পেটের তাগিদায়।
। স্থানীয় এলাকাবাসী রা কেমরার পিছন থেকে বলে বড় বড় রাঘ বোয়াল ছেড়ে পুঠি মাছ ধরা হোছে কালিয়াগঞ্জ একাধিক ভেজাল তেলের কারোবারি আছে তাদের মিলে কোনো দিন হানা হয় না পুলিশ ও আধিকারিক রা ।যা মনে হচ্ছে সব রফা দফা হয়ে যাছে এই নিয়ে প্রশ্ন থাকছে প্রশানের বিরুদ্ধে। জেলা পুলিশ আধিকারি রা কেমরা সামনে কিছু বলতে চাই নি কিন্তু সরঞ্জাম দেখে যা মনে হল সাদা তেলে বিষাক্ত হলুদের বস্তা সাপের চিনহ দেওয়া ও তেলে ঝাসের জন্য কেমিক্যালের ডাব্বা পাওবা যায় ।যাতে পুলিসের অনুমান সাদা তেলে কেমিক্যাল ও হলুদ মিশিয়ে সরিষার তেলের ঝাস দিয়ে সরষের তেলের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নাম দিয়ে বাজারে বিক্রি করা হতো।
ভেজাল ও বিষাক্ত খাদ্যে শিশুর মৃত্যুঝুঁকি রয়েছে। গর্ভবতী মহিলারা জন্ম দিতে পারে বিকলাঙ্গ শিশু, গর্ভস্থ শিশু প্রতিবন্ধী হওয়ার আশংকাও থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এসব খাবার খাওয়ার ফলে বয়স্ক ও শিশুদের মধ্যে ক্যান্সার জাতীয় রোগের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। কিছু খাবার এমনই বিষাক্ত যে তা ডিএনএকে পর্যন্ত বদলে দিতে পারে।
পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে ভেজাল কারী বাপন মোদক কে অটক করে থানা নিয়ে যায় এখন দেখার বিষয় পুলিশ ও প্রশান আরো বড় বড় ভেজাল কারী বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে।












Leave a Reply