নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি কল্যাণীর কাঁটাবেলে এলাকা। শুরু হয় বোমাবাজি আতঙ্কিত এলাকার মানুষ।-আগামীতে রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর জনজোয়ার কর্মসূচি। সেই কর্মসূচি আয়োজন উপলক্ষে কাঁটাবেলে তৃণমূল পার্টি অফিসে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। সেই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন এলাকার তৃণমূল কর্মী থেকে নেতৃত্বরা। আলোচনা সভার মধ্যেই জাহাঙ্গীর আর সাইফুল মন্ডলের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় বচসা। সেই বচসা থেকে পরবর্তীতে রণক্ষেত্র আকার ধারণ করে। জাহাঙ্গীর আর সাইফুল মন্ডলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শুরু হয় হাতাহাতি ও মারামারি। লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয় সইফুল মন্ডলের মাথায়। এছাড়াও আহত হয় একাধিক তৃণমূল কর্মী। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বোমা বাজি করার অভিযোগ ওঠে জাহাঙ্গীরের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কল্যাণী থানার পুলিশ প্রশাসন। আহত ও রক্তাক্ত সইফুল মন্ডলকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ অনেকটাই অস্বস্তিতে ফেলল শাসকদল তৃণমূলকে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে সইফুল মন্ডলের অভিযোগ তিনি এলাকার নব সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বলেই দলীয়ভাবে কিছু তৃণমূল সমর্থক মেনে নিতে পারছেন না। এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন জাহাঙ্গীর ও তার সমর্থকরা এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে বেআইনিভাবে অর্থ রোজগার করছেন। তিনি নব সভাপতি নির্বাচন হওয়াতে সেই কাজে বাধা হচ্ছে বলেই এই হামলা চালায়।
এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা শুভাশিস বিশ্বাস জানান এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আজকের নয় ।এই দল শুরু থেকেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সূত্রপাত। এই ঘটনা শুধু কাঁটাবেলে এলাকা জুড়ে নয়, গোটা রাজ্যজুড়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। দুর্নীতির জেরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। এই দলটি লুঠের রাজত্ব চালাচ্ছে। এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে রয়েছে। মানুষ একটু শান্তি চাই এমনই দাবি করলেন বিজেপি নেতা।
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি কল্যাণীর কাঁটাবেলে এলাকা।












Leave a Reply