নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রথম দিন থেকেই ধুম ধুমার গোটা রাজ্য। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিম সিম খেতে হয় পুলিশ প্রশাসনকে, এমত পরিস্থিতিতে করা সিদ্ধান্ত নেন রাজ্য নির্বাচন কমিশন। প্রত্যেকটি মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার কেন্দ্রগুলিতে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। যদিও তারপর থেকেই পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা দেখা যায় যথেষ্ট। আজ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার চতুর্থ দিন, সময় অনুসারে নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দপ্তরে শুরু হয় মনোনয়নপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া। তবে গত তিন দিনের তুলনায় আজ সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দপ্তরের চারপাশে করা হয় বাড়তি নিরাপত্তা, একাধিক জায়গায় বসানো হয় নো এন্ট্রি গেট। ১৪৪ ধারা অমান্য কারীদের নির্দিষ্ট স্থানে চলে যাওয়ার জন্য আবেদন করেন পুলিশ প্রশাসন। ব্লক আধিকারিক দপ্তরের চারপাশে যে সমস্ত ব্যবসায়িক দোকানগুলি রয়েছে সেই সমস্ত দোকানগুলিতে জমায়েতকারীদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ, পাশাপাশি চলে করা নজরদারিও। যদিও আজও রাজ্যের শাসক দলের পক্ষ থেকে কোন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়নি, আজও সিপিএম ও বিজেপির পক্ষ থেকে জমা দেওয়া হয় মনোনয়নপত্র। ব্লক সিপিএম নেতার দাবি, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সারা রাজ্য জুড়ে যেভাবে অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে ১৪৪ ধারা সঠিক সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। তবে তৃণমূলের মনোনয়নপত্র নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে সিপিএম। ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি, শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি, সারা রাজ্য জুড়ে সর্বত্রই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে তৃণমূল। আর নিজেদের দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এখনো পিছিয়ে তৃণমূল এমনটাই মন্তব্য সিপিএমের।
নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দপ্তরে শুরু হয় মনোনয়নপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া।












Leave a Reply