দলটাই তো চলছে পুলিশের উপর, আজ পুলিশ সরে গেলেই দেখবেন তৃনমুল দলটাই আর থাকবে না : সুকান্ত মজুমদার।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে বলব সকালে উঠে তার ট্রেড মিলে না হেটে যোগা ব্যায়ম ও প্রনায়াম করতে তাহলেই তার মনে একমাত্র শান্তি আসবে। যার ফলে রাজ্যে সন্ত্রাসের বাতাবারন দূর হয়ে শান্তির বাতাবরন বইবে। আজ বালুরঘাটে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সংবাদ মধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যের চারিদিকে সন্ত্রাস নিয়ে কথা বলতে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এই কথা বলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও মাত্র ২১ জেলার জন্য এক কোম্পানী করে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ার বিষয়কে সমালোচনা করে সুকান্তর দাবি এরা সুপ্রিম কোর্টের ওরডারকে বাইপাস করার চেষ্টা চালাচ্ছে, আগেও যেমন চালানোর চেষ্টা করেছে তারা। মুখ্যমন্ত্রীর দুই কোর্টে ত্থাপ্পড় খেয়েও শিক্ষা হয়নি আবার ত্থাপ্পড় খাবেন। তিনি নিজেই প্রশ্ন তুলে বলেন, রাজ্যে এত হাজার বুথ কখনও কি এই অল্প সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করা সম্ভব ? তাই আবার আদালতে যাব নির্দেশ না মানলে, আবার ত্থাপ্পড় খাবেন।

পাশাপাশি তার দাবি তৃনমুলের উদ্দেশ্যই হলো টাকা কামানো, তিনি আরো বলেন রাজ্যে শুধু চাকরিতে দুর্নীতি হয়নি, টিকিটে দুর্নীতি এমনকি দলের পদ বিক্রিতেও দুর্নীতি আসলে দলটাই পদে পদে দুর্নীতিতে ভরা।তার দাবি পঞ্চায়েত থেকে কামানো, তাই তো তৃনমুলের বিধায়ক থেকে নেতারা টিকিট বিক্রি করেছেন। গতকাল এই জেলার কুশুমন্ডিতে তৃনমুলের মহিলা বিধায়ক রেখা রায়ের স্বামীকে টিকিট বিক্রির অভিযোগে রাস্তায় ফেলে মহিলারাই পিটিয়েছে তাই বুঝতেই পারছেন এদের উদ্দেশ্য কি।

বীরভূমের দুবরাজপুরে বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মী মুর্মু বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় জিতেও ফের তৃনমুলে যোগদান প্রসংগে বলতে গিয়ে সুকান্ত বলেন দেখুন আপনার হাতে পুলিশ প্রশাসন থাকলে পরে ভয় দেখিয়ে গায়ের জোরে সবই সম্ভব। দলটাই তো চলছে পুলিশের উপর, আজ পুলিশ সরে গেলেই দেখবেন তৃনমুল দলটাই আর থাকবে না।

অন্যদিকে রাজভবনে পশ্চিমবংগ দিবস পালন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা প্রসংগে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি তার সাথে ডিবেটে বসার আহ্বব্বান জানিয়ে বলেন ২০জুন পশ্চিমবংগ ভাগ একটা ঐতিহাসিক দিন, যদি ভাগ না হতো তবে কলকাতা আজ পুর্ব পাকিস্তানে থাকত।এরপরেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তার চেনা জানা ইতিহাসবিদদের নিয়ে আমার সাথে ডিবেটে বসার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *