নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মোট কুড়িটা আসন আড়বান্দী ২ নম্বর পঞ্চায়েতে। বিগত বছরের মতন এবারেও বোর্ড গঠনের ধারা অব্যাহত রাখল তারা। জয়ী তৃণমূল প্রার্থীর সংখ্যা ছিলো নয় জন, কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল ১, ভারতীয় জনতা পার্টির ১০।
আজকের ভোটাভুটিতে দশ দশ হওয়ার পর লটারির মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় প্রধান এবং উপপ্রধান। জিআর রহমান শাহ প্রধান হিসেবে , এবং উপপ্রধান হিসেবে খোকন মুন্ডা।
জি আরর রহমানের স্ত্রী পর তিনবারের জয়ী সদস্য ছিলেন, নদিয়া দক্ষিণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জি আর রহমান শাহ। অন্যদিকে উপপ্রধান, খোকন মন্ডা জানান তিনি এর আগে দুবার এবং তার স্ত্রী একবার জয়ী সদস্য ছিলেন। দুজনেই বলেন উন্নয়ন এর আগের পঞ্চায়েত যথেষ্ট করেছে তবে যেটুকু বাকি রয়েছে তা নিরপেক্ষ ভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। অন্যদিকে অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি উত্তম বিশ্বাস জানান, বিজেপি এবং তৃণমূল সমান সমান দশ দশ হওয়ায় ভোটাভুটিতে ও দশ দশ হয়। প্রধান উপপ্রধান নির্বাচিত হয় লটারির মাধ্যমে। সাংসদ জগন্নাথ সরকার এ বিষয়ে নিয়ম বহির্ভূত কাজ বলে দাবি করেন, গয়েশপুরে যেমন গোপন বেলাটে ভোট হয়েছে তাই তৃণমূলের সংখ্যা বেশি থাকলেও প্রধান নির্বাচিত হয়েছে আমাদের। কিন্তু এক্ষেত্রে সে সুযোগ দেয়নি সরকারি আধিকারিক। এ বিষয়ে আগামীতে আদালতের দ্বারস্থ হব।
যদিও ব্লক বি তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কানাই দেবনাথ বলেন, উনি পঞ্চায়েত ভোটের নিয়ম কানুন কিছুই জানেন না। সরকারি নিয়মকে মান্যতা দিয়েই সর্বত্র বোর্ড গঠন হচ্ছে, এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।
বোর্ড গঠনের ধারা অব্যাহত রাখলো, আড়বান্দি দু’নম্বর পঞ্চায়েত , ভোটাভুটিতে সমান সমান হওয়ায়, লটারির মাধ্যমে তৃণমূলের প্রধান উপপ্রধান গঠন, সংসদ জানালেন নিয়মবিরূদ্ধ।












Leave a Reply