নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- কৈলাস থেকে দেবী দুর্গা তার সন্তান-সন্ত্রতিদের নিয়ে মর্তে পুজিত হওয়ার পর, তাদের জায়গাও পাকাপাকি করে গিয়েছেন দেবী দুর্গা। এককভাবে লক্ষ্মী কার্তিক সরস্বতী গণেশ ও পুজিত হয়ে থাকেন তাদের বাহন সহযোগে। যার প্রথম লক্ষ্মীপূজো। সময় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলেছে লক্ষ্মী পূজার ধরণ। আদিবাসী পরিবারে আজও টুসু ভাদুর মত এই লক্ষ্মী পূজার প্রধান বিষয় লক্ষীদেবীর পদচিহ্ন অংকন। যাকে আমরা আলপনা বলে থাকি। আর এই আলপনা লক্ষ্মী পূজার ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ । নদীয়ার শান্তিপুর বাগআঁচড়া পঞ্চায়েতের আস্ত একটি গ্রামের নাম লক্ষীনাথপুর। কারণ বহু প্রাচীনকাল থেকে এই এলাকায় ঘরে ঘরে পূজিত হন কোজাগরি লক্ষ্মী । সেই উপলক্ষে পরিবারে আতপ চাল বেটে মা ঠাকুমাদের সাথে এ প্রজন্মের মেয়েরা নিকানো উঠানে দিয়ে থাকে আলপনা ।
মাটির বারান্দা দেওয়াল উঠোন গোবর দিয়ে লেপে, প্রস্তুত করা হয় আগের দিন। পরেরদিন সকালে বাড়ির মেয়ে বউ প্রবীণা সকলে হাতে হাত লাগিয়ে, ধানের শীষ, মা লক্ষ্মীর পদচিহ্ন, বিভিন্ন কলকা, লতাপাতা অসাধারণ শোভা বর্ধন করে এক পুজোর পরিবেশ তৈরি করেন। পুরাতন মূর্তি জলে ভাসিয়ে নতুন মূর্তি প্রতিস্থাপনের উদ্দেশ্যে, নাড়ু মোয়া লুচি তরকারি নানান খাদ্য সামগ্রী তৈরি হয় আজকের দিনে । দুধের সাথে নারকোল চিনি জাল দিয়ে কলা পাতায় অসাধারণ স্বাদের এক সন্দেশ তৈরি করা হয়। তবে নারকোলের দাম অসম্ভব বৃদ্ধি হওয়ার কারণে এখন পরিমাণে কম করা হয়েছে।
গ্রামের নাম যেখানে লক্ষ্মীনাথপুর, লক্ষ্মীপূজো আলপনা নাড়ু মোয়া তো ঘরে ঘরে।












Leave a Reply