জমির রেকর্ড করিয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা চাওয়ার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।

নিজস্ব সংবাদদাতা, দঃ দিনাজপুরঃ-দক্ষিণ দিনাজপুর:-জমির রেকর্ড করিয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা চাওয়ার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। সেই অডিও ক্লিপ ভাইরাল সোস্যাল মিডিয়ায়। যা নিয়ে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক শোরগোল। পাশাপাশি , বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় তৃণমূল
নেতাদের কাটমানির অভিযোগ তুলে ওই অডিও ক্লিপ তার এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশ করেছেন। যদিও সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ মাধ্যম।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতি সাহেব সরকারের বিরুদ্ধে জমির রেকর্ড করিয়ে দেবার নামে টাকা চাওয়ার একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। এদিন সুকান্ত মজুমদারের এক্স হ্যান্ডেলে তা প্রকাশ করে সরব হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।এনিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।

বিজেপি জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী জানান, তৃণমূল কংগ্রেস একটি দূর্নীতিগ্রস্ত দল। নেতা কর্মীরা বেশীরভাগ তোলাবাজ। টাকার বিনিময়ে একজনের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করার চক্রান্তের বিষয়টি প্রশাসনের তদন্ত করে দেখা উচিত।

তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী জানান, এই ধরনের ঘটনা দলের জেলা নেতৃত্বর কাছে এসেছে। কেউ যদি আইনগত ভাবে তদন্তের দাবি করে থাকেন, তবে আইন আইনের পথে চলবে। তবে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ। দল অডিও ক্লিপ এর সত্যতা আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখবে।

অডিও ক্লিপের কথোপকথনে কোনো জমির রেকর্ডের সমস্যার বিষয় উঠে আসে। সেই সমস্যা দূর করতেই টাকা চাওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কথোপকথনের একটি কন্ঠস্বর গঙ্গারামপুর ব্লকের বাসুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতি সাহেব সরকারের বলে সামাজিক মাধ্যমে দাবী করা হয়েছে।

যদিও এই অডিও ক্লিপ ভাইরাল হবার পর বাসুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি সাহেব সরকার তার নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেই ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, এআই টেকনোলজি ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়াতে এই কাজ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।