নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদাঃ—“আজ আন্তর্জাতিক শিশু দিবস,, আজ এই দিন হিসেবে এই পৃথিবীকে শিশুর বাস যোগ্য করে যাব আমি” কিন্তু শিশুর পিতামাতারাই যদি অসহায় বা অজ্ঞাত হন তাহলে সুস্থ, সবল শিশুর জন্ম হবে কোথা থেকে ? হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন- রোগটা হচ্ছে আজকের জ্বলন্ত সমস্যা, আগামীর বিভিষিকা থ্যালাসেমিয়া।” বিবাহের পূর্বে রাশি বা কোষ্ঠী বিচার নয়, রক্তবিচার করুন থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করুন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার ছিলো শিশু দিবস, তাই সুস্থ সবল শিশুর জন্ম নিশ্চিত করতে কালিয়াচকের আকন্দবাড়িয়া এ সি হাই স্কুলে থ্যালাসেমিয়া ও রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণ সচেতনতা এবং ২১০ জন ছাত্র-ছাত্রী রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সচেতনতা শিবিরে আলোচনা করেন ভারত স্কাউটস্ অ্যান্ড গাইডস্ মালদা জেলা শাখার জেলা রক্তদান শিবির আহ্বায়ক এবং সেন্টজন অ্যাম্বুলেন্সের লেকচারার অনিল কুমার সাহা, মালদা মেডিক্যাল কলেজ থ্যালাসেমিয়া বিভাগের কাউন্সিলার অপরাজিতা সরকার, আকন্দবাড়িয়া এ সি হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান, স্কাউট মাস্টার মিজানুর ইসলাম প্রমূখ। বর্তমানে মালদা জেলায় প্রায় ১২০০ জন থ্যালাসেমিয়া রোগী, এদের মধ্যে প্রায় ৭০০ থেকে ৭৫০ জনকে নিয়মিত ১০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন করতে হয়। নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে হলে বিবাহের পূর্বে প্রত্যেক যুবক-যুবতীর জীবনে মাত্র একবার রক্ত পরীক্ষা জরুরী। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও সমস্ত জেলা হাসপাতালে থ্যালাসেমিয়া বিভাগে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা করা জরুরী, এমনটি জানালেন রক্তদান আন্দোলনের জেলা রক্তদান শিবির আহ্বায়ক।
সুস্থ সবল শিশুর জন্ম নিশ্চিত করতে কালিয়াচকের আকন্দবাড়িয়া এ সি হাই স্কুলে থ্যালাসেমিয়া ও রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণ সচেতনতা এবং ২১০ জন ছাত্র-ছাত্রী রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।











