হালিশহরে চৈতন্য ডোবা ঘাটে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিতর্কিত পোস্টার! তৃণমূল-বিজেপি চাপানউতোর তুঙ্গে।

হালিশহর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- ২১ জুলাইয়ের পর রাজ্য রাজনীতির আবহে উত্তপ্ত হালিশহর। এবার চৈতন্য ডোবা ঘাটে দেখা গেল বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকে ঘিরে একটি বিতর্কিত পোস্টার, যা ঘিরে এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় হতবাক।
সোমবার সকালে হালিশহরের চৈতন্য ডোবা ঘাটের সামনে হঠাৎই নজরে আসে একটি বড় পোস্টার, যেখানে লেখা—
“২১ জুলাই যারা দিলীপ দা-কে তৃণমূলে পাঠাচ্ছিল, তাদের ঝাঁপ দেওয়ার স্থান”
এই পোস্টারের উদ্দেশ্য ও প্রেরক কে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।

‍♂️ স্থানীয়দের বক্তব্য:

ঘাটে নিয়মিত যাতায়াতকারী এক বাসিন্দা জানান, “সকাল থেকে পোস্টারটি দেখতে পাচ্ছি। তবে কে কখন লাগিয়েছে, তা চোখে পড়েনি। রাত্রিবেলাই সম্ভবত কেউ এসে লাগিয়ে গেছে।”

️ তৃণমূল কাউন্সিলরের পাল্টা আক্রমণ:

ঘটনা সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দেন হালিশহরের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তৃণমূল নেতা মৃত্যুঞ্জয় দাস। তিনি সাফ বলেন,

“এই ধরণের পোস্টার বিজেপির চক্রান্ত। ওরা এখন হাইলাইট হতে মরিয়া। আমাদের তৃণমূল কর্মীদের এ সবের দিকে তাকানোর সময় নেই। আমরা ব্যস্ত ২৬ জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে, যেদিন দিদিকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ফের প্রতিষ্ঠিত করা হবে।”

বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল:

পোস্টারটিতে দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্র করে কটাক্ষমূলক বাক্য এবং ‘তৃণমূলে যোগদানের প্রচেষ্টা’ নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা থাকায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন এটি পাল্টা কৌশলের অংশ হতে পারে।

পুলিশি তদন্ত দাবি:

এদিকে সাধারণ মানুষের একাংশ চাইছেন, পোস্টারটি কে বা কারা লাগিয়েছে, তা খুঁজে বার করে উপযুক্ত তদন্ত করুক পুলিশ।
একজন প্রবীণ নাগরিক বলেন,

“রাজনীতি হোক, কিন্তু এরকম ঘৃণার বার্তা দেওয়া উচিত নয়। এখন রাজনীতিতে মার্জিনাল সীমা রক্ষা করা দরকার।”

সংক্ষিপ্ত তথ্য:

ঘটনার স্থান: চৈতন্য ডোবা ঘাট, হালিশহর।

পোস্টারের বিষয়: বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ ও ২১ জুলাই প্রসঙ্গ।

তৃণমূলের দাবি: বিজেপির প্রচার কৌশল।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া: কে লাগিয়েছে, জানা যায়নি।

পরবর্তী পদক্ষেপ: প্রশাসনের তদন্ত প্রত্যাশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *