শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে ভ্রাম্যমাণ বিদ্যালয়ের সূচনা বালুরঘাটে।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস। ঠিক তার দুদিন আগে বালুরঘাটের পাশেই কাশিম্বী ও খোলাপাড়া গ্রামের সূচনা হলো ভ্রাম্যমাণ বিদ্যালয় বা মোবাইল স্কুলের। অযোধ্যা কালিদাসী বিদ্যানিকেতনের ভূগোলের শিক্ষক তুহিনশুভ্র মণ্ডলের মস্তিস্ক প্রসূত এই বিদ্যালয়। মূল উদ্দেশ্য বিদ্যালয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বৃদ্ধি ও নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি।
পড়াশনা, খেলাধুলা, আবৃত্তি, গান, নাটকের মাধ্যমে এই আগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টায় আজ কাশিম্বী ও খোলাপাড়া গ্রামে ভ্রাম্যমাণ বিদ্যালয়ের ক্লাস হলো। ‘পাখির ডাকে সকাল হলো’ গানের সঙ্গে, শঙ্খ ঘোষের ‘একলা’ কবিতার আবৃত্তির সঙ্গে গলা মেলালো নবম শ্রেণীর প্রিয়া দেবনাথ, সুজিত দেবনাথ,দশম শ্রেণীর নয়ন বর্মণরা।শেষে সবাই মিলে শপথ নিলো প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসার।
তুহিন বাবু জানান, ‘ অযোধ্যা কালিদাসী বিদ্যানিকেতনের শিক্ষার্থীরা যে যে গ্রাম থেকে আসে প্রাথমিক ভাবে সেখানেই ভ্রাম্যমাণ বিদ্যালয় বা মোবাইল স্কুল বসবে। মোবাইলের টানে, বাড়ির কাজে, আর্থিক সমস্যার সুরাহার কারণ সহ বিভিন্ন কারণে ছাত্র ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকে। ধীরে ধীরে তা বিদ্যালয় ছুটের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। সেটা আটকাতে এই উদ্যোগ। আজ কাশিম্বী ও খোলাপাড়া গ্রামের শিক্ষার্থীদের নিয়ে হলো। এরপরে অন্য গ্রামে গ্রামে হবে। এটা ধারাবাহিক ভাবে হবে বিদ্যালয়ের সময়ের বাইরে অথবা ছুটির দিনে। ‘
এই দুই গ্রামের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক অভিভাবিকা দের সঙ্গেও কথা বলা হয়। অনুরোধ জানানো হয় একজন শিক্ষার্থীরা যেন বিদ্যালয় না গিয়ে ঘুরে না বেড়ায় অথবা মোবাইল না দেখে।
ভ্রাম্যমাণ বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জ্যোতি দেবনাথের মা শিখা বর্মণ দেবনাথ। তিনি বলেন ‘ তুহিন স্যারের এই উদ্যোগ খুব ভালো লাগলো। অভিভাবক হিসেবে আমরাও চেষ্টা করি ছাত্র-ছাত্রীরা যেন নিয়মিত বিদ্যালয়ে যায়। এর পরে তো অবশ্যই করবো’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *