নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রীকে আইনজীবি হয়ে কাজ করতে হবে তাই প্র্যাক্টিস করছে মালদায় বললেন দিলীপ ঘোষ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- *মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী হিসেবে মামলার লড়াই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন*,নির্বাচনের পরে উনাকে ওই কাজ করতে হবে ওই প্র্যাকটিস করছেন উনি।উনি অনেক কিছুই করেন গায়ক,কবি সাহিত্যিক ওটা দেখে নিচ্ছেন উনি হয়তো ধরেই নিয়েছেন এপ্রিলের পরে সরকার থাকবে না কিছু তো করতে হবে কল্যাণ ব্যানার্জির সাথে ফাইল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।

*এসআইআরদের বিরুদ্ধে বিরোধীদের একত্রিত হওয়া প্রসঙ্গে বলেন*__ বিহারে হয়ে গেল এস আই আর অনেক বড় বড় কথা বলেছিলেন।যখন লিস্ট বেরোলো কেউ কমপ্লেন করতে যাইনি।ভোট হয়ে গেল রেজাল্ট সবাই জানে। সেই জন্য চেঁচামেচি যেটা করছেন উনারা সেটা এস আই আর কে আটকানোর জন্য।পশ্চিমবাংলা টা হচ্ছে বিরোধীদের গড় এখানে যদি উইকেট পড়ে যায় ভারতবর্ষে বিরোধী নেতা বলে কেউ থাকবে না।মানুষ শুদ্ধিকরণ শুরু করেছে ভারতবর্ষে দুর্নীতি মুক্ত ভারত হিংসা মুক্ত ভারত,প্রতিটি নির্বাচনে তাই হচ্ছে আর সেটাকে বিরোধীরা ভয় পাচ্ছে।

*মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি যাত্রা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন*__দিল্লিতে অনেকবার গেছেন তিনি। বাংলায় একটা কথা আছে যখন সময় চলে আসে শিয়াল নাকি শহরের দিকে ছোটে। সময় এসে গেছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কি করবে? তার সামনে খুন ধর্ষণ হচ্ছে।পুলিশের সামনে বোম মারছে। কালিয়াচক থানায় আগুন দিল পুলিশ লুঙ্গি পড়ে ছুটে ছিল।লুঙ্গি ছেড়ে ছুটে ছিল। টিএমসির গুন্ডাদের দেখলে টেবিলের তলায় লুকায় আলমারির পেছনে লুকায়। সেই পুলিশ দিল্লিতে কি করবে।দিল্লির পুলিশ দেখে মমতা ব্যানার্জির অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছে।বাংলার পুলিশের উপর বাংলার লোকের আস্থা নেই। দিল্লির পুলিশ পুলিশের কাজ করছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল এসআইআর কেন্দ্রেতে সুরক্ষা দিতে।এখানকার সরকারকে যখন বিরোধীরা আমাদের পার্টির লোকেরা বিএল এ রা তখন মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।ওদের গুন্ডারা ওদের নেতারা যখন সুপ্রিমকোর্ট বলেছিল সুরক্ষা দিতে সুরক্ষা কি দিয়েছে তখন কাউকে দেখা গেল না পুলিশ আছে টা কোথায়?পুলিশ গুন্ডা এক হয়ে গিয়েছে টিএমসির ক্যাডার হয়ে গিয়েছে।ওই পুলিশ গেলে দিল্লির লোক কি ট্রিটমেন্ট করবে তা দেখা যাবে।
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক যদি অশুভনীয় বা অসহযোগিতা করছে মনে হতো। তাহলে তখনই বেরিয়ে আসতো। মিটিং হয়ে যাওয়ার পরে মনে হল খবর হবে না। তাই টেবিল চাপড়ে বাইরে এসে ড্রামা করতে শুরু করলেন। এর আগে ভাইপো বলেছিল ওকে আঙুল দেখিয়েছে। আপনি যে আমাদের সারাদিন চোখ দেখান। একটু আঙুল দেখিয়েছে তো কি হয়েছে।মালদায় বললেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকলে ইংরেজবাজার শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে চায় পে চর্চা করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *