
দিল্লি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- “সাহস থাকলে রাজনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক ভাবে লড়াই করুন”-দিল্লির চাণক্যপুরীর সাংবাদিক সম্মেলনে থেকে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি একসঙ্গে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন তৃণমূল সভানেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআরে (SIR) ক্ষতিগ্রস্তদের পরিজনদের নিয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করেন। সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বাংলায় SIR-এর নামে হেনস্থার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনেও কালো পোশাক পরে বসেন ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের পরিজনেরা। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক। বলেন, “এসআইআর-এর নামে যেভাবে হয়রান করা হচ্ছে, তাতে মানুষ কোথায় যাবে, কোথায় বলবে? বারবার চিঠি দিয়েও উত্তর পাইনি। ৬টি চিঠি দিয়েছি। কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও এরা মানছে না। তাই কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে নিয়ে এসেছিলাম। এখানে দিল্লি পুলিশ নিয়ে হেনস্থা করা হল।”
এসআইআর ইস্যুতে কমিশন-বিজেপিকে এক বন্ধনীতে রেখে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, এআইয়ের অপব্যবহার করছে কমিশন। কোর্টের নির্দেশও মানছেন না মাইক্রো অবজারভাররা। লজিক্যাল ডিসক্রেপিন্সির নামে জীবিত লোককেও মৃত বানিয়ে দিচ্ছে। বহু যোগ্য মানুষের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উপস্থিত এমন তালিকায় মৃতদের তালিকায় থাকা মানুষদের উপস্থিতও করেন তিনি।
তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়, দু বছরের কাজ কেন দুমাসে করা হবে? কেন মানুষকে হয়রানি করা হবে? যাঁরা মারা গেলেন, তাঁর দায় কে নেবে?
সোমবার বঙ্গভবনে তল্লাশির নামে দিল্লি পুলিশের হেনস্থা নিয়েও এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে বিস্তারিত জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথার সমর্থন করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যেরাও। অভিযোগ, সোমবার সকাল থেকেই বঙ্গভবনের সামনে দিল্লি পুলিশের অস্বাভাবিক তৎপরতা নজরে আসে। পুলিশ দিয়ে বঙ্গভবন কার্যত ঘিরে ফেলা হয়। ভিতরেও তল্লাশি চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন।












Leave a Reply