
দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই দিনব্যাপী বার্ষিক স্পোর্টস মিট ২০২৬ গতকাল, ৬ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। এই স্পোর্টস মিট শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের এক অপূর্ব উদযাপন।
আজ, ৭ই ফেব্রুয়ারি শনিবার, স্পোর্টস মিটের দ্বিতীয় দিনে বালুরঘাটের ত্রিধারা ক্লাবে অনুষ্ঠিত হলো ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পঞ্চাশ জন ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং শিক্ষাকর্মীরাও অংশগ্রহণ করেন। সব মিলিয়ে দশটি দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার বিশেষ আকর্ষণ ছিল দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড: প্রণব ঘোষের অংশগ্রহণ। তাঁর উপস্থিতি এবং অংশগ্রহণ ইভেন্টের প্রাণবন্ততা আরও বাড়িয়ে তোলে।
স্পোর্টস মিটের প্রথম দিনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বালুরঘাট বিএড কলেজের ময়দানে। প্রথম দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একশো জন ছাত্রছাত্রী আটটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ইভেন্টের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানাধিকারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে স্মারক এবং শংসাপত্র দিয়ে সম্মানিত করা হয়।
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের জন্যও বিশেষ ক্রীড়া ইভেন্টের আয়োজন করা হয়। শিক্ষকদের অংশগ্রহণ এই স্পোর্টস মিটকে আরও প্রাণবন্ত এবং আনন্দময় করে তুলেছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের একত্রে ক্রীড়া উদযাপন এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক স্পোর্টস মিট ক্রীড়ার মাধ্যমে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। এটি শুধুমাত্র প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিক্ষার্থী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড: প্রণব ঘোষ বলেন, “বার্ষিক স্পোর্টস মিট আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। এটি ক্রীড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে সৌহার্দ্য এবং বন্ধুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। এই ইভেন্ট আমাদের সবার জন্য একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।”
দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই দিনব্যাপী বার্ষিক স্পোর্টস মিট ২০২৬ অংশগ্রহণকারীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। এটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে সম্পর্ককে আরও গভীর এবং অর্থপূর্ণ করে তুলেছে।
এই ক্রীড়া উৎসব কেবল প্রতিযোগিতার আনন্দ নয়, বরং এটি একতাবদ্ধতা, উদ্দীপনা এবং সৌহার্দ্যের এক অনন্য উদযাপন।












Leave a Reply