
মালদহ, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মালদহের মানিকচক ব্লকের ১০ আসন বিশিষ্ট ধরমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত।পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে কংগ্রেস ও বিজেপির ঝুলিতে যায় চারটি করে আসন। তৃণমূল পায় দুটি আসন। কংগ্রেস ও বিজেপি হাত ধরে পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করে। প্রধান হন কংগ্রেস সদস্য কোদবানু বিবি। উপপ্রধান হয় বিজেপি সদস্য লতিকা মন্ডল।তবে মাস কয়েক আগে পঞ্চায়েতের প্রধান সদস্যদের অন্ধকারে রেখে স্বচ্ছ ভারত মিশনের লিচ পিটের কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া করে। সরকারি টাকা আত্মসাৎ এর চেষ্টার অভিযোগ তুলে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস ও বিজেপির সদস্যরা। আদালত অবশ্য সেই টেন্ডার প্রক্রিয়া বন্ধ করার নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসকে। জেলাশাসক সেই টেন্ডার বন্ধ করে দিতে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। বাতিল হওয়া তালিকার কাজ গোপনে শুরু করে দিয়েছে প্রধান বলে অভিযোগ। সমস্ত সদস্যকে অন্ধকারের রেখে সাদা রেজুলেশনে স্বাক্ষরের করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। তাতে সদস্যরা রাজি না হওয়ায় বেজায় ক্ষেপে যান পঞ্চায়েতের প্রধান ও তার স্বামী বলে অভিযোগ সদস্যদের। স্বাক্ষর না করলে হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় সদস্যদের বলে অভিযোগ। ভুয়ো স্বাক্ষর দেখিয়ে টেন্ডার করে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে প্রধান।












Leave a Reply