এক মহিলাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, শ্লীলতহানি, পরিবারের সদস্যদের মারধর ও প্রাণে মারার হুমকির অভিযোগ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ক্ষমতার অপব্যবহার। এক মহিলাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, শ্লীলতহানি, পরিবারের সদস্যদের মারধর ও প্রাণে মারার হুমকির অভিযোগ। অভিযোগ উঠল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য গাজোল থানার রানীগঞ্জ দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত অলতোর ফরেস্ট এলাকায়। এই ঘটনায় নির্যাতিত ওই পরিবারটি গাজোল থানায় রানীগঞ্জ দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী
সহ দুজনের নামে লিখিত অভিযোগ করেছে l
ইতিমধ্যেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
যদিও এই অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত প্রধানের স্বামী l
অভিযোগ এলাকায় বহু বছর ধরে একটি পরিবার তার নিজের জমিতে বাড়ি করে বসবাস করে আসছে। কিছুদিন যাবৎ রানীগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী লিটন বিশ্বাস ওই পরিবারটিকে উচ্ছেদের হুমকি দিচ্ছিল। তাদের বসতভিটা দখল করার চেষ্টাও করছিল কিছুদিন আগে ওই পরিবারের বাড়িতে ঢুকে অভিযুক্ত প্রধানের স্বামী দলবল নিয়ে ঢুকে তখন পরিবারটিকে রীতিমতো হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। পরিবারের নির্যাতিতা গৃহবধূ জানান লিটন বিশ্বাস তার স্বামীকে বাড়িতে ঢুকে মারধর করে তখন তার স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর করা হয় তার গায়ে হাত দেওয়া হয়, শীলতা হানি করা হয় বলে অভিযোগে উঠে প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে। নির্যাতিতা গৃহবধুর বক্তব্য বহুবছর ধরে তারা এই এলাকায় বসবাস করছে ।

নির্যাতিতা গৃহবধূ শাশুড়ি ও স্বামী জানান তারা এই ঘটনায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাদের বাড়িঘর ছেড়ে তারা এই মুহূর্তে কোথায় যাবেন। সম্পূর্ণ ক্ষমতার অপব্যবহার করছে প্রধানের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা লিটন বিশ্বাস l

যদিও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার সম্পূর্ণ ভিত্তি হিন বলে দাবি করেছেন রানীগঞ্জ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধানের স্বামী লিটন বিশ্বাস তিনি জানান যে অভিযোগটা করছে সে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন । যারা আমার নামে অভিযোগ করছেন তারাই অন্যের জমি দখল করে বসে রয়েছেন আমি শুধুমাত্র এই বিষয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গেছিলাম সে ক্ষেত্রে আমার নামে মিথ্যা কথা বলছে, এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এর কোন অস্তিত্ব নেই। কোন শীলতা হানি হয়নিl আমাকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে

গাজোল বিধানসভার বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন জানান প্রধানের স্বামী তার নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় মানুষদেরকে ভয় দেখানো শাসানি চালাছে। এটা প্রথম ঘটনা নেই এর আগেও এরকম ঘটনা ঘটেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *