
মানুষ সময় এলে কাছে আসে
আবার অসময়ে দূরে চলে যায়,
প্রয়োজনে মানুষ কাছে আসে
কাউকে কাউকে প্রিয়জন বানায়।
প্রিয়জন,ভালোবাসা, ভালোলাগা,এসব
শব্দগুলো সবই কেমন চালচুলোহীন,
বসন্ত যেমন নিয়মেই আসে চরাচরে
নিয়মেই চলে যায় আশা দিয়ে হয় ক্ষীণ।
হাওয়া-মোরগ যেমন গতি পাল্টায়
তেমনি মানুষের মনও পাল্টে যায়,
চাঁদ ডুবে গেলে জোৎস্নাও হারায়
প্রত্যাশা অপূর্ণ হলে মানুষও পাল্টায়।
অথচ কেউ যে আপ্রাণ চেষ্টা করছে
কারো জন্য সেটা কি সে বুঝতে পারে,
না,আসলে মানুষ সময়ের দাস-শিকার,
সমুদায় ম্লান হয় স্মৃতির জানালা ধারে।
আমরা মানুষেরা কখনো কাঁদি,হাসি
মিশে যাই সমষ্টির ভিড়ে,কথা মরে,
কথা আসে,কারো সাধ পূর্ণ অসাধু
পথে,কেউ সৎ হয়ে মেধা নিষ্ঠা হারায়।
যারা নিয়ত ঈশ্বরকণাকে অবলীলায়
চূর্ণ করে,নিষ্পেষিত করে নিষ্পাপ মন;
সরল,নিষ্পাপ হৃদয়কে ক্ষত- বিক্ষত করে
তারাই ডন হয়ে নষ্ট করে পবিত্র বন-উপবন।
ঈশ্বর ও মহাজাগতিক শক্তির কাছে এই
সব বীভৎস মানুষের পদাবলী লেখা থাকে-
অপূর্ন হৃদয়ের অব্যক্ত যন্ত্রণা আর অশ্রুর
স্বরলিপি ভাসায় চরাচর,হিসাব চিত্র আঁকে।












Leave a Reply