রাত পোহালেই ভাইফোঁটা, মিষ্টির দোকানে ভিড় দেখা না গেলেও জামা কাপড়ের দোকানে ভিড় উপচে পড়ল।

আবদুল হাই, বাঁকুড়াঃ “যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা
আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা”
আজ ও আগামীকাল ভ্রাতৃদ্বিতীয়া। ভাইবোনের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও স্নেহের সম্পর্ক তৈরি করে এই ভাইফোঁটা। একথালা মিষ্টি, সাথে ধান,দূর্বা,প্রদীপ ও চন্দনের ফোঁটা দিয়ে ভাইফোঁটার আয়োজন শুরু হয়, এবার দ্বিতীয়া দুইদিন পরায় ভাইফোঁটার বাজার সেরকম দেখা গেল না।বাজারে একটি মাত্র মিষ্টির দোকানে ভিড় দেখা গেল। অন্যান্য মিষ্টির দোকানে ভিড় সেই রকম দেখা গেল না।

ভাইফোঁটা উপলক্ষেই নানা ধরনের মিষ্টির দোকানে সাজানো রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে এ বছর বেশ ভিড় হবে ভেবেছিল মিষ্টি দোকানের মালিকেরা। বাঁকুড়া ইন্দাস ব্লকের গোবিন্দপুর বাজারের মিষ্টির দোকানগুলিতে এমনই ছবি ধরা পরল আমাদের ক্যামারায়। একটি মাত্র মিষ্টির দোকানে মিষ্টি দিতে ব্যস্ত আর, খরিদ্দাররা একের পর এক মিষ্টির প্যাকেট ব্যাগে ভরতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। দোকান মালিকরা জানান, গত দুবছর করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে এ বছর বাজার বেশ ভালো হবে আশা করেছিলেন তবে এখনো পর্যন্ত সেরকম খদ্দের নেই। গত দু বছরে লোকসানে দাঁড়িপাল্লা টা এ বছর লাভের দিকেই যাবে ভেবেছিলেন এমনই জানালেন মিষ্টির দোকানের মালিকেরা।
আবার ভাই ফোঁটাতে ফোটা দেয়ার পাশাপাশি ভাই বোনের হাতে বোন ভাইয়ের হাতে একটা করে উপহার তুলেই দেয়া যায়। তবে সেটা যদি হয় পাঞ্জাবি আর ভালো একটা দামি শাড়ি? তাই জামা-কাপড়ের দোকানেও বেশ ভিড় চোখে পড়ল। কাপড়ের দোকানের এক দোকান মালিক জানান আগের দু বছরের থেকে এ বছর বাজার ভালো তবে অনলাইনে কেনাকাটা অনেকটাই ভাটা পড়ে গেছে জামা কাপড়ের দোকানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *