নিম্ন মানের খাবার দেওয়ায় দড়ি দিয়ে বাঁধা হল অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে।

দুবরাজপুর, সেখ ওলি মহম্মদঃ- নিম্ন মানের খাবার দেওয়ায় বীরভূম জেলার দুবরাজপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চমরুচকপাড়ার একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীরা। তারপর বেশকিছুক্ষণ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হালিমা খাতুনকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ এই কেন্দ্রে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হালিমা খাতুন ও সহায়িকা সাহিদুন বিবিকে বদলি করতে হবে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ প্রায় চার-পাঁচ বছর ধরে নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে। বাচ্চাদের অভিভাবকরা এলে তাদেরকে বলা হচ্ছে পড়াশোনা করার নাম নাই শুধু খাবার খেতে আসছে। রেনু বিবির দাবি, ভালো রকম সবজিও দেওয়া হচ্ছে না এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে। এক কিলো আলুতে পাঁচ লিটার জল দিয়ে সেই খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে বাচ্চাদের। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীদের বারংবার বলা হলেও হয়নি কোন কাজ। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই দুবরাজপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চমরুচকপাড়ার একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখানো হলো আজ। এমনকি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হালিমা খাতুনকে দড়ি দিয়ে বেঁধেও রাখা হয়। অন্যদিকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হালিমা খাতুনের পাল্টা অভিযোগ, তাঁকে হেনস্থা করা হয়। দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার পাশাপাশি তাঁকে ঝাঁটা নিয়ে মারতেও যাওয়া হয়। সরকারিভাবে যে খাবার বরাদ্দ আছে তিনি তাই দিচ্ছেন। ডিম সেদ্ধ ভাত তো থাকেই তার সঙ্গে একটি আলুর ঝোলও দেওয়া হয়। কিন্তু গ্রামের লোকরা চাইছেন আলু মুসুরির ঝোল, যা আমাদের বরাব্দ নেই। আমি সমস্ত ঘটনার কথা সিডিপিও স্যারকে জানিয়েছি । আমি তো কোনো দোষ করিনি তাও গ্রামবাসীরা যদি আমাকে বেঁধে রাখতে চাই রাখুক আমি আইনি পথে লড়বো। দুবরাজপুর ব্লকের সিডিপিও প্রবীর বিশ্বাসকে বার বার ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *