নিজস্ব সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:- গভির রাতে নদী পথে পাচার করা হচ্ছিল সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বহু মুল্যবার গাছের গুড়ি। গোপন সুত্রে খবরের ভিত্তিতে চুপিসারে ঘাপটি মেরে বসেছিল বনকর্মিরাও। দীর্ঘক্ষন পর চোরাকারবারিরা দুই নং রায়ড়াক নদী দিয়ে ৯টি সেগুন গাছের গুড়ি ভেলা বানিয়ে জলের স্রতের অভিমুখে নিয়ে আসছিল। নজরে আসে বনকর্মিদের। অপর দিকে বনকর্মিদের অবস্থান বুঝতে পেরে কাঠ চোরা কারবারিরা, অতর্কিতভাবে বনকর্মিদের উপর চড়াউ হওয়ার চেস্টা করে কাঠ মাফিয়ারা, তারপর কাঠের চালি নিয়ে পালানোর চেস্টা করে তারা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না! বনদপ্তরের তরফ থেকে কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হলে গাছের গুড়ি ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায় কাঠ মাফিয়ারা। তবে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায় নি।বাজেয়াপ্ত হয় অনুমানিক 40cft সেগুন কাঠের গুড়ি। যার আনুমানিক বাজার মুল্য দেড় লক্ষ্য টাকা। উদ্ধার হওয়া সেগুন কাঠগুলিকে কুমারগ্রাম রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে। এই বিষয়ে কুমারগ্রামের রেঞ্জ অফিসার রানা গুহ জানান কামাখ্যাগুড়ি মোবাইল রেঞ্জ ও কুমারগ্রাম রেঞ্জের যৌথ অভিযানে এবং ভল্কা রেঞ্জের সহয়োগিতায় এই অভিযান চালানো হয়েছে।
গাছের গুড়ি ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে গেলো কাঠ মাফিয়ারা।












Leave a Reply