কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা : ফের চিতা বাঘের আতংক কোচবিহারে। এদিন কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভার হাড়িভাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দক্ষিণ হাড়িভাঙ্গা গ্রামে চিতাবাঘের আতঙ্ক ছড়ায়। গতকাল থেকে এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া গেলেও এখনও পর্যন্ত চিতাবাঘকে কেউ দেখা পায় নি গ্রামবাসীরা। আর তাতেই আতঙ্কে গোটা গ্রামের মানুষ।
জানা গেছে, কয়েকদিন আগে এলাকার ওমর আলী মিয়ার একটি গরুকে কোন এক হিংস্র প্রাণী থাবা মারে। তার জেরে গরুটি মারা যায়। তখন থেকে এলাকার মানুষের সন্দেহ ওই এলাকায় চিতা বাঘ এসেছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আতঙ্কিত এলাকা বাসী। কিন্তু তারপর গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কয়েকদিন ধরে জমিতে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পান স্থানীয়রা। এরপরই গোটা গ্রামে ফের চিতাবাঘের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা দ্রুত বন দফতরের কর্মীদের খবর দেন। যদিও বন দফতরের কর্মীরা এলেও এখনও পর্যন্ত বাঘের হদিশ পাওয়া যায়নি। তবে এলাকায় কিছু ছাপ পাওয়া গিয়েছে। সেগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বন দপ্তরের কর্মীরা জানান, ওই পায়ের ছাপ চিতা বাঘের। ফলে আজ দুপুরে থেকে চিতা বাঘকে ধরার জন্য একটি খাঁচা আনা হয়েছে। সেই খাঁচা এলাকায় বসানো হয় বলে জানা গিয়েছে।
এবিষয়ে হাড়িভাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শংকর দেবনাথ জানান, কয়েকদিন আগে এলাকার এক ব্যক্তির গরুর উপর আক্রমণ করে কোন এক হিংস্র প্রাণী। তারপর গতকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় কিছু পায়ের ছাপ দেখা যায়। পরে আমরা এলাকার মানুষকে সচেতন থাকার কথা জানানো। যাতে কোন রকম দুর্ঘটনা না ঘটে। আজ বন দপ্তরের কর্মীরা এসে এলাকায় খাঁচা বসিয়েছে। সব সময় তারা সজাগ রয়েছে। আমরা সব সময় সচেতন থাকবো,এলাকার মানুষ যাতে কোন ভাবে আতঙ্কিত না হয়। সেদিকে আমরা নজর রাখছি।
এদিন এবিষয়ে বন দফতরের এক আধিকারিকরা জানান, এলাকা বাসীর অভিযোগ পেয়ে আমাদের বন কর্মীরা এসেছে। এলাকায় কিছু পায়ের ছাপ পাওয়া গেছে। সেগুলো পরীক্ষা করে দেখা গেছে ওই পায়ের ছাপ গুলো চিতা বাঘের। পরে বন দপ্তরের কর্মীরা এলাকায় চিতা বাঘ ধরার জন্য আমরা খাঁচা বসিয়েছি।












Leave a Reply