তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে রেড চালালে উদ্ধার হবে কালো টাকা, বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র, দাবি মহম্মদ সেলিমের।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- যেখানে তৃণমূলের পার্টি অফিস তৃণমূলের নেতা দেখবে সেখানে তাদের বাড়িতে যেকোনো দিন রেট চালাও সেখানে কালো টাকা বেয়াই নিয়ে অস্ত্রশস্ত্র বোমা সোনা দানা তুমি পাবে। দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে কোচবিহার জেলা পার্টি অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করে এভাবেই তৃণমূলকে বিঁধলেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।

রাজ্য জুড়ে যেভাবে তৃণমূল নেতাদের বাড়ি থেকে বোমা উদ্ধার হচ্ছে। কোথাও বা তৃণমূল নেতাদের হাত ও বাড়ি উড়ে যাচ্ছে। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কর্মীরা গোটা রাজ্যকে বোমা তৈরির কারখানা বানিয়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ বিরোধী দল গুলোর।

এদিন কোচবিহার জেলা পার্টি অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, যেখানেই দেখিবে ছাই, উঠাইয়া দেখিবে তাই, পাইলে পাইতে পারো,,,,,,। যেখানে তৃণমূলের পার্টি অফিস, তৃণমূলের নেতা দেখবে, সেখানে তাদের বাড়িতে যে কোনদিন রেড চালাও সেখানে কালো টাকা, বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র, বোমা, সোনাদানা তুমি পাবে। যত বেশি মস্তান যে তত বেশি দেখাচ্ছে নিজের হিম্মত। তত বেশি সে লুটেরা। কারণ কোন দুর্নীতি চলতে পারে না দুষ্কৃতী ছাড়া। রাজনীতি যখন ছিল তখন কিছু গুরুজন ছিল, তার সঙ্গে সৎজন ছিল এবং তার সঙ্গে সাধারণ মানুষও ছিল। তৃণমূল ও বিজেপি সেটা করছে। রাজনীতিতে আর গুরুজনরা নেই। ওই জন্য বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে বক্তব্য দিতে। সৎজন নেই, তাদের ভয় দেখিয়ে ধীরনের লিডকে দূর করা হয়েছে। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে মাস্টার, শিক্ষক ছাত্ররা, যুবরা, সাংবাদিকরা দূরে সরে যায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে না পারে। আর মহাজনদের কারবার হয়। এই মহাজনদের কারবার চলতে পারেনা। দুর্জনরা যদি না থাকে তাহলে আজকে মহাজন ও দুর্জনদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে সাধারণ মানুষকে।

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের দাবি, মহম্মদ সেলিম কিছু জানেন না তাই ভুলভাল কথা বলে যাচ্ছেন। ৩৪ বছর শাসনকালে রাজ্যটাকে তছনছ করে খেয়েছেন। এখন তারা বড় বড় কথা বলছি। তাদের এই আচার-আচরণের জন্য একুশের বিধানসভা ভোটে তাদেরকে মানুষ শূন্যে পরিণত করেছে। তাই মহম্মদ সেলিমদের কথার কোন মূল্য নেই বলে জানান তৃণমূলের কিষান ক্ষেতমজুর সেলের জেলা সভাপতি খোকন মিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *