পশ্চিমবাংলায় ডাল চালের মত খোলা জায়গায় হাতিযারও বিক্রি হচ্ছে,খড়গপুর থেকে কলকাতায় ফের অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- পশ্চিমবাংলায় চাল ডালের মত খোলা জায়গায় হাতিয়ারও বিক্রি হচ্ছে, কলকাতায় ফের অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে সোমবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরে চা চক্রে যোগ দিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ঠিক এভাবেই বর্তমান রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন দাপটে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, তিনি আরো বলেন এর ফলে যেখানে সেখানে বন্দুকের আওয়াজ। গুলি চলছে সব জায়গায় । আরো পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। দুষ্কৃতীকারীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। না পুলিশ না প্রশাসন সরকার মুখ্যমন্ত্রী কারও কোন হেলদোল নেই। সারা ভারতবর্ষের মাফিয়া গুন্ডা, তাদের পশ্চিমবাংলায় আড্ডা বেড়েছে । এখান থেকে অন্য রাজ্যে গিয়ে গোলমাল করে চলে আসছে। সরকারের যে বিফলতা তার একটা প্রমাণ হচ্ছে এ ধরনের ঘটনা । অন্যদিকে পহেলগাওয়ে মহিলাদের সাহসের অভাব ছিল,হরিয়ানার বিজেপি সাংসদ রামচন্দ্র জাংরার মন্তব্যে বিতর্ক ছড়ায়, সেই বিষয় নিয়ে এই দিন দিলীপ ঘোষ বলেন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সংযত হয়ে বক্তব্য রাখতে । এব্যাপারে দেশের হয়ে সবাই একসাথে কাজ করছি । সেদিকে নজর রাখা উচিত । কোন দিকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়ায় চুরির দায়ে কিশোরের আত্মহত্যার ঘটনায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়, সেই বিষয় নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃংখলার অবস্থা যে জায়গায় পৌঁছেছে দেখা যাচ্ছে সিভিক ও পুলিশ আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে । এটাই চিন্তার বিষয় । তার মানে এর উপর কোন কন্ট্রোল নেই । অন্যদিকে রাজধানীতে তৃণমূল সাংসদদের জরুরি বৈঠক সম্বন্ধে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ, এই দিন তিনি বলেন
ঠিকই আছে, কে কি বৈঠক করবে সেটা তার ব্যাপার,
অন্যদিকে এনজিওর নাম করে কিছু সংস্থা ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করছে এই অভিযোগ তুলে নেতাকর্মীদের সতর্ক করল তৃণমূল, সেই বিষয় নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য
তৃণমূল এই কাজটা বেশি করে প্রফেশনাল টিম রেখে টাকা দিয়ে রাজনীতিটাকে ওরাও ব্যবসার জায়গায় নিয়ে গেছে। অন্য পার্টির নয় টিএমসির নেতা এমএলএ, এমপিদের তার তথ্য সংগ্রহ করছে, তাদেরই নিযুক্ত টিম । কোন নেতা কার সাথে যোগাযোগ রাখছে , কে নেতা কোথা থেকে কি পাচ্ছে এসব । এর ফলে সমাজে একটা অবিশ্বাসে পরিণত হয়ে যাচ্ছে । বহু সংস্থা বহু লোক সার্ভের নাম করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কতটা ঠিক কতটা ঠিকঠাক, এই যে তথ্য কি কাজে লাগছে, এগুলো সাইবার ডিপার্টমেন্ট এর নজর রাখা উচিত । এগুলো নিয়ে কে রাজনীতি করছে? কে ব্যবসা করছে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে না । এর মধ্যে সাইবার ক্রাইমও খুব বেড়ে যাচ্ছে সাইবার ডিপার্টমেন্টের নজর রাখা উচিত। সরকারের নজর রাখা উচিত , অন্যদিকে ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন এবার ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়কের নিশানায় দলেরই একাংশ । হুমায়ুনের অভিযোগ বড় বড় পদ নিয়ে বসে থাকা মুর্শিদাবাদের নেতারা দিনে তৃণমূল করেন আর রাতে শুভেন্দুর বাড়িতে ভেট পাঠান শাসক নেতার এই মন্তব্যের জোর রাজ্য রাজনীতিতে । সেই বিষয় নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন
সেটা তাদের নিজেদের ব্যাপার পার্টির এখানে আমার কিছু বলার নেই । পাশাপাশি নীতি আওগের বৈঠকেই যাননি, দিল্লিতে ইন্ডিয়ার মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিও মাঝপথে বেরিয়ে গেলেন নিতিশ কুমার, তার পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেন,বৈঠকে গেছেন কে গেছে? না গেছে কিন্তু আমাদের মুখ্যমন্ত্রী তো যাননি। উনি তো গেছেন কমপক্ষে । যে বিষয়ে আলোচনা সেই বিষয়ে যোগ্য লোক থাকা দরকার ওখানে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *