
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদাঃ- —বেহাল রাস্তার চরম দুর্ভোগের ভাইরাল ভিডিও সামনে এল মালদার হবিবপুর ব্লকে। হবিবপুরের শ্রীরামপুর অঞ্চলের রঞ্জিতপুর গ্রামের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেল বেহাল রাস্তার কারণে অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে চিকিৎসার পর গ্রামে যাওয়ার মতো কোন যানবাহন না পেয়ে খাটিয়ায় চাপিয়ে সেই খাটিয়া দুজন মিলে ঘাড়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ির উদ্দেশ্যে। শনিবার এই ভাইরাল ভিডিও নেট মাধ্যমে সামনে আসতেই রীতিমতো হইচই, পড়ল হবিবপুর ব্লকে। যদিও সেই ভাইরাল ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ মাধ্যম।
উল্লেখ্য হবিবপুর ব্লকের শ্রীরামপুর অঞ্চলের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রঞ্জিতপুর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার রানী সরেন নামে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা ডায়রিয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন সেই বৃদ্ধা তাকে কোনক্রমে বুলবুলচন্ডি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার শরীরের অবস্থা অবনতি হতেই পাঠানো হয় মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।সুস্থ হয় শনিবার তাকে ছুটি দেওয়া হলে।তাকে বাড়ি নিয়ে আসার জন্য ট্যাক্সি রিজার্ভ করে বিএসএফ রোড ধরে বাড়ি ফিরে সেই পরিস্থিতিতে রঞ্জিতপুর গ্রামের গ্রামে ঢোকার মুখেই বেহাল অবস্থা রাস্তার অবশেষে গ্রামে বাসিন্দারা কোন উপায় না পেয়ে খাটিয়াই করে রোগীকে বাড়ি নিয়েছেন সেই ভিডিওই সোশ্যাল মিডিয়াই ভাইরাল করেন এলাকারই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যর স্বামী দীনেশ সরেন সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া ছড়াতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে চাপা উত্তেজনা।এলাকাবাসীর অভিযোগ এলাকায় কোন অসুস্থ রোগী হলেই এইভাবেই দিনের পর দিন নিয়ে যেতে হয় রোগীকে। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলা থাকলে তাদেরকে আগে থেকেই বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় বর্তমানে এই এলাকায় চার থেকে পাঁচ জন গর্ভবতী মহিলা রয়েছে বর্তমানে রঞ্জিতপুর গ্রামে কেউ নেই রাস্তা খারাপের জন্যই আগে থেকেই তাদের বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভোট আসলেই দেখা যায় নেতাদের মুখ ভোট পার হয়ে গেলে দেখা মিলেনা নেতাদের। রাস্তা হবে হচ্ছে বলেই বছরকে বছর পার হয়ে যাচ্ছে শুরু হয়নি।ওই এলাকাগ গ্রাম পঞ্চায়েতের স্বামী অভিযোগ করে বলেন বহুবার লিখিত অভিযোগ থেকে শুরু করে গ্রাম এমএলএ থেকে এমপি সকলকেও বারবার জানিও রাস্তায় কাজ হয়নি গ্রাম পঞ্চায়েতে আন্ডারে এত বড় স্কিম নেই যার ফলে রাস্তার নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা সেই খুব উগড়ে দিয়ে এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেছেন।অন্যদিকে জেলা পরিষদের সদস্য তারাশঙ্কর রায় বলেন আমরাও এই রাস্তার জন্য বারবার মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে ডিএম সহ বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েছি কোন হেলদোল নেই যারফলে সমস্যা সমাধান হচ্ছে না এর জন্য সম্পূর্ণভাবে দোষারোপ করছেন শাসক দলকে। তিনি আরো বলেন এখন প্রশাসনের কর্তাদের পা ধরতে বাকি রয়েছে।












Leave a Reply