
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা ভোট। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের প্রতিশ্রুতির ঝুলি নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে।এই রাজ্যের শাসক দল আবার বারবার দাবি করেন তারা কৃষকদের পাশে পিছিয়ে পড়া গ্রাম বাংলার মানুষদের পাশে থাকে।কিন্তু মালদায় দেখা গেল বাস্তব পরিস্থিতিটা অনেকটাই অন্যরকম।মালদার গাজোল এলাকার আদিবাসী এবং রাজবংশী সমাজের মহিলা শ্রমিকদের করুণ পরিস্থিতি সামনে এলো। মালদার বেশিরভাগ এলাকায় মূলত কৃষিপ্রধান। কৃষিকাজের উপরে নির্ভর করে জীবন জীবিকা।চাঁচল ২ নং ব্লকের জালালপুর, গোয়ালপাড়ার মত এলাকায় গিয়ে দেখা মিলল সেই মহিলা শ্রমিকদের।যারা গাজোল থেকে কাক ভোরে দলবেঁধে গাড়ি করে চলে আসছেন এখানে।জমিতে ধান রোপন সহ বিভিন্ন কাজ করছেন। দিনশেষে পারিশ্রমিক মিলছে ৩৫০ টাকা।গাড়ি ভাড়া বাদ দিলে হাতে থাকছে ২৭০ টাকা। তাদের স্বামী বা সন্তানেরা বেশিরভাগই আবার ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক। সরকারি সুবিধা বলতে কেউ বলছেন শুধু লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন।কেউ সেটাও পাচ্ছেন না।বাংলা আবাসের বাড়িও মেলেনি। অভিযোগ যাদের টাকা আছে তারাই বাড়ি পাচ্ছে।প্রশাসন জনপ্রতিনিধিরা তাদের খোঁজ নেন না। এই পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে ন্যূনতম পারিশ্রমকেই জমিতে হার ভাঙ্গা খাটুনি খাটতে হচ্ছে বাধ্য হয়েই। আবার এই এলাকায় জমির মালিক যে সকল কৃষক রয়েছেন। তাদের পরিস্থিতিও ভালো না।ন্যায্যমূল্যে বীজ বা সার মেলেনা।কালোবাজারির কারণে কিনতে হচ্ছে চড়া দামে। কিন্তু সেই দিকে নজর নেই প্রশাসনের।ধান চাষ করে বিশেষ লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না তারা।এখন প্রশ্ন হচ্ছে শুধুই কি ভোটমুখী প্রতিশ্রুতি মিলবে।নাকি প্রকৃত অর্থে সরকার এবং প্রশাসনের দৃষ্টি পড়বে মানুষগুলোর উপর।এদিকে কৃষকদের দুরবস্থা নিয়ে নিয়ে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি। যদিও পাল্টা তৃণমূলের দাবি তাদের সরকার সর্বদাই কৃষকদের পাশে আছেন।












Leave a Reply