
পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মমতা ব্যানার্জি এখনই সিমপ্যাথি কার খেলবে? আমাকে জেলে ঢুকাচ্ছে আমাকে মারার চক্রান্ত হচ্ছে । এসব বলে কিছু না। হয়তো আক্রমণ করাবে নিজের থেকে, যাতে সিমপ্যাথি পান কেননা হাত পা ভেঙ্গে এখন আর ভোট পাওয়া যাচ্ছে না । তাই মৃত্যু ভয় মানুষকে ভয় দেখানো সিমপেথি নেয়ার চেষ্টা করবে । মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহর থেকে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দুর্গাপুরে মমতার জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখেন আমাকে জেলে ঢুকিয়ে দিন না হলে গুলি করে মেরে দিন। সেই বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে আগামী বুধবার সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি। তার আগেই কয়লা পাচার মামলায় গ্রেফতার আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল। ভোট বাংলায় শাসকের থিঙ্কট্যাঙ্কে আঘাত? পাল্টা অভিষেকের, মাথা নোয়াবেনা বাংলা। বিরোধিতা করলেই কি আঘাত? সেই প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন,
স্বাভাবিক আছে কয়লা পাচার গরু পাচার পশ্চিমবাংলায় নতুন কিছু না, তার তদন্ত হয়নি এতদিন । তার তদন্ত শুরু হচ্ছে । আর এই অবৈধ টাকা রাজনীতি থেকে শুরু করে ব্যবসা সবকিছুতে যাচ্ছে ফলে সমাজের মধ্যে একটা অব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে । আর ভয় দেখিয়ে ভোট নেয়া ইলেকশন জেতা তাতে এইসব টাকা ব্যবহার হয়। । অবশ্যই যারা এর সাথে যুক্ত তাদেরকে শাস্তি দেওয়া উচিত ।
নির্বাচনের দিনও গ্রেফতার হতে পারে এতে তো আর কোন তিথি নক্ষত্র থাকেনা । যখন মনে করবে তদন্তকারী সংস্থা তাদের কাছে তথ্য আসবে তখন তারা এরেস্ট করবে । অন্যদিকেবিজেপি বাংলায় শক্তির অভাব ব্যবহার করছে হলেই অভিযোগ , এমনটাই মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিষয় নিয়ে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন,টিএমসি পশ্চিমবাংলাকে দুর্নীতির কালো ছায়ায় ঢেকে ফেলেছে, পশ্চিম বাংলার মানুষ হীনমন্যতায় ভুগছেন । এর মুক্তি শুরু হয়েছে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে ।
পাশাপাশি ভবনীপুরে শুভেন্দুর পোস্টার ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ, রাত পর্যন্ত পুলিশের ভুমিকায় ক্ষোভ, ভবনীপুর থানা ঘেরাও। বরানগরে বিজেপি কর্মীদের মারধোরের অভিযোগ। – হারের ভয়েই কি শাসকের চোখরাঙানি?
এদিন সেই প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন,খালি ভবানীপুর নয়, এখানে খড়গপুর পোস্টাল ব্যানার ছেড়ে দেয়া হচ্ছে রাত্রিবেলা গিয়ে আমরা কমপ্লেন করেছি । অন্যদিকে ওআইসির অভিযোগ মোদি ও মমতা একই মুদ্রার এপিট আর ওপিঠ, দুজনে ভাই বোন , সেই বিষয় নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন ওয়াইসির পশ্চিমবাংলায় কি রয়েছে । তার সার্টিফিকেট কে চেয়েছে ।ডিটেনশন ক্যাম্পে যাবো না রাষ্ট্রপতির কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন,বহু লোকের নাম ঝুলে রয়েছে। কেউ ডিটেনশন ক্যাম্পে যাবে না এই ইলেকশনে ভোট দেবে না কিন্তু পরে ভোট দেবে । যাদের ডকুমেন্ট আছে কাগজ আছে তাদেরকে কেউ আলাদা করতে পারবে না ।












Leave a Reply