কোচবিহারে কংগ্রেসে গণযোগদান, ২০২৯-এ রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী করার ডাক।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য কুচবিহার জেলা কংগ্রেসের আপসহীন সংগ্রামী নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পি.সি.সি-র লড়াকু সদস্যা ছায়া রানী বর্মন ও ছাত্র-যুব আন্দোলনের আপসহীন নেতা মাসুম আক্তারের যৌথ নেতৃত্বে কোচবিহার ১ নং ব্লকে বিশিষ্ট সমাজসেবীদের কংগ্রেসে গণযোগদান: ২০২৯-এ রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী করার সংকল্প
*গণযোগদান:* কোচবিহার ১ নং ব্লকে রাজনৈতিক আলোড়ন। কোনো দল থেকে নয়, সমাজের মূল স্রোত থেকে একঝাঁক শিক্ষিত ও সচেতন তরুণ সমাজসেবী আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন জাতীয় কংগ্রেসে।
*নেতৃত্ব:* প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য কুচবিহার জেলা কংগ্রেসের আপসহীন সংগ্রামী নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পি.সি.সি-র লড়াকু সদস্যা ছায়া রানী বর্মন ও ছাত্র-যুব আন্দোলনের আপসহীন নেতা মাসুম আক্তারের যৌথ নেতৃত্বে এই যোগদান কর্মসূচি সফল হয়।
*মূল লক্ষ্য:* বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিব হোসেনের নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্ম ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে জননেতা রাহুল গান্ধীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সংকল্প নিয়ে তেরঙা পতাকা হাতে তুলে নেন।
এক নজরে শীর্ষ নেতাদের মূল বক্তব্য:
*রাজিব হোসেন (নবাগত সমাজসেবী নেতা):*
*”আমরা আগে কোনো দল করতাম না। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মেরুদণ্ড ভেঙে যাচ্ছে দেখে আর ঘরে বসে থাকতে পারলাম না। যুবসমাজ ও দেশের স্বার্থে রাহুল গান্ধী যেভাবে লড়াই করছেন, আমরা নির্ভয়ে তাঁর পাশে থেকে ২০২৯-এ তাঁকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই।”*

*সুব্রত মুখোপাধ্যায় (প্রদেশ কংগ্রেস নেতা):*
*”বিজেপি দেশজুড়ে বিভাজনের ও ধ্বংসের রাজনীতি চালাচ্ছে। সর্বস্তরের মানুষ আজ বিপদে। এই স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে একমাত্র রাহুল গান্ধী বুক চিতিয়ে লড়ছেন, আর তাঁর হাত শক্ত করতেই আজ শিক্ষিত যুবসমাজ কংগ্রেসে শামিল হচ্ছে।”*

*মাসুম আক্তার (ছাত্র- নেতা):*
*”সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মেধাভিত্তিক চাকরির দাবিতে বাংলায় বদল এনেছিল। কিন্তু এই এক মাসে বিজেপি প্রতিটি ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর ছক কষছে। কোচবিহার ১ নং ব্লকের এই সচেতন তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনের উত্তরসূরী, যারা এই সাম্প্রদায়িকতার বীজকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”*

*নিউজ জিস্ট:* কোনো রাজনৈতিক চক্রান্ত বা হামলা-মামলার ভয় উপেক্ষা করে দেশের হারানো গৌরব ও ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনতে কোচবিহারের বুথে বুথে যুব সমাজ আজ বিপুল উৎসাহ ও সাহস নিয়ে কংগ্রেসের ছাতার তলায় আসছে।

রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠিত political দলের কর্মী ভাঙানোর চেয়ে সমাজের নিরপেক্ষ, শিক্ষিত ও সচেতন সমাজসেবীদের কংগ্রেসে আসার এই প্রবণতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে তরুণ প্রজন্মের এই স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান কোচবিহার জেলায় কংগ্রেসের ভিতকে নৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে অনেকটাই মজুগত করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *