আবদুল হাই, বাঁকুড়া : বাঁকুড়া জেলার এক প্রাচীন পৌরশহর হলো সোনামুখী। এই শহর যেমন তার নানান দিক থেকে খ্যাত তেমনি এই শহরের বুকে লুকিয়ে আছে গভীর এক সমস্যা। এই পৌর শহরের রাস্তাঘাট খুব সরু হওয়ায় নিত্যদিন যানজটের সমস্যা লেগেই থাকে,যার জেরে নাজেহাল হতে হয় সাধারণ মানুষকে।এই পৌর শহরের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের একটা দাবি বাইপাস নির্মান করে শহরের যানজটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া।পূর্বে এই বাইপাস তৈরি হওয়াকে কেন্দ্র করে অনেক অনেক রাজনৈতিক চাপানোতরের সাক্ষী থেকেছে এই শহর,অনেক রাজনৈতিক দল প্রতিশ্রুতি দিলেও প্রতিশ্রুতি এখনো পর্যন্ত পূরণ হয়নি, এখনো যানজটের হয়রানি রোজনামচা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই শহরের বাসিন্দাদের।
বাইপাস তৈরির দাবি নিয়ে আজ সোনামুখী পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের এবং সোনামুখী ব্লক এর বিডিওর কাছে একটি আবেদন জানাতে সরোজমিনে হাজির হলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং সোনামুখী বিধানসভার বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ আমাদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে জানান,আজ সোনামুখীর বিধায়ক কে সাথে নিয়ে আমরা ভাইস চেয়ারম্যান এবং এই ব্লকের বিডিওকে লিখিত আকারে একটি আবেদন করে গেলাম যদি জমি ঠিকঠাক ভাবে তুলে দেওয়া হয় ভারত সরকারের থেকে সাহায্যে মিলবে এবং তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে পূর্ণাঙ্গ সাহায্য তিনি করবেন। সোনামুখী বিধানসভার বিধায়ক দিবাকর বাবু জানান,সোনামুখী শহরের বাইপাস তৈরির কথা আমি মাননীয় সাংসদকে জানিয়েছিলাম, তিনি সংসদে এই কথা তুলে ধরে আজ সরোজমিনে এসেছেন দেখার জন্য,পৌরসভায় জমির জন্য আমরা আবেদন করে গেলাম জমি সমস্যা মিটে গেলেই এর কাজ হয়তো শীঘ্রই শুরু হবে,সর্বোপরি তিনি জানান আমরা মানুষের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তাই মানুষের সমস্যার সমাধান করতে দল-মত নির্বিশেষে সবারই এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
বারংবার সোনামুখী শহরের এই সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া দেখতে পাওয়া গেলেও সমস্যার সমাধান এখনো কিছু হয়নি। ভবিষ্যতে বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ কতটা সদর্থক গতি নিয়ে এগোই এখন সেটাই দেখার বিষয়।
বাইট- সৌমিত্র খাঁ(সাংসদ, বিষ্ণুপুর)
বাইট- দিবাকর ঘরামি(বিধায়ক, সোনামুখী)












Leave a Reply