যশপুর জুনিয়র গার্লস্‌ হাই স্কুল পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

বীরভূম, সেখ ওলি মহম্মদঃ- পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনুমোদিত বিদ্যালয় চলছে গ্ৰামেরই বেকার যুবক যুবতীদের নিয়ে। নেই কোনো স্থায়ী শিক্ষক শিক্ষিকা।বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের যশপুর গার্লস জুনিয়র হাই স্কুল অনুমোদন পায় ২০১৩ সালে। কিন্তু ২০১৬ সালে গেস্ট টিচারের মাধ্যমে ৮ জন ছাত্রী নিয়ে পথচলা শুরু এই বিদ্যালয়ের। বর্তমানে ছাত্রী সংখ্যা ৪৭৫ জন অথচ সরকারিভাবে নিয়োগ শিক্ষক বা শিক্ষিকা বলতে কেউ নেই এই বিদ্যালয়ে। কয়েক মাস আগে গ্ৰামেরই প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে একজন শিক্ষক এবং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দেওয়া একজন পার্শ্ব শিক্ষিকা দেওয়া হয়েছে এস. আই অফিস থেকে। কিন্তু বিদ্যালয় অনুমোদন পাওয়ার পর থেকেই যারা শিক্ষকতা করছেন তারা গ্ৰামেরই বেকার যুবক যুবতী। বিনা পারিশ্রমিকে শিক্ষকতা করছেন তাঁরা। বিদ্যালয় শুরুর এক বছর পর ২০১৭ সালে শিক্ষকতায় যোগ দেন গ্ৰামের তিন যুবক যুবতী চিত্রা মাজি নন্দী, দেবাশিষ ভান্ডারী ও পীযূষ ভান্ডারী তাও বিনা পারিশ্রমিকে। তার কয়েক বছর পর আরও তিনজন শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তাও আবার বিনা পারিশ্রমিকে। তাঁরা হলেন বুল্টি ভাণ্ডারী, রিম্পা চন্দ ও বকুল ভান্ডারী। তাই এই খবর পেয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শনে এলেন ভারত সরকারের বিদেশ ও শিক্ষা রাজ্যমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং। এদিন তিনি বিদ্যালয়ে এসে বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো দেখেন। পাশাপাশি বিনা পারিশ্রমিকে যাঁরা শিক্ষকতা করছেন তাঁদের সাথে কথাও বলেন। তিনি এদিন বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জলের মেশিন দেওয়ার কথা বলেন। পাশাপাশি তিনি জানান, স্থায়ী শিক্ষক না থাকার জন্য বিদ্যালয়ের যে দুরাবস্থা হচ্ছে সেটা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানাব। তাছাড়াও যাঁরা বিনা পারিশ্রমিকে এতদিন ধরে ছাত্রীদের শিক্ষা দান করে আসছেন তাঁরাও যাতে কিছু পায় সেটাও দেখছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *