হেপাটিক রোদের মতো সরলরেখার জান্তব শরীর গুঁড়িয়ে খাচ্ছে আমাদের মতো কিছু মেনোপজ অন্ধকারের ময়ূর সমগ্ৰ…..
বৃত্তাকার পূর্ণিমার মতো সব অশৌচ চিহ্নেরা ইম্পোটেন্সি চাঁদের গায়ে এলিয়ে পড়ছে , চাঁদ আসলে কিছু নয় একটি মৃত জরায়ুর লোমশ বায়বীয় পদার্থ মাত্র , নাঙ্গল কাটার অশ্বক্ষুরাকৃতি মাঠে তিনটি শিব আজও কঠিন পদার্থের জন্য ধ্যানে বসে আছেন যৌন সক্ষম কোন এক পার্বতীকে নেশাতুর করে দেওয়ার জন্য , দারু বনে সকলেই পল্লবীত আজ ,
আমি পেন্টাগোনাল বাণপ্রস্থের পর আবারো একবার সন্ন্যাসীর পোশাক পরে চন্দ্রবিন্দুটিকে রুদ্রাক্ষের শরীরে মিলিয়ে রাখি , ভয় সমগ্র দানবীরা ধীরে ধীরে পুরুষানুক্রমিক হয়ে উঠছে
একটি পুরুষ স্বর্ণালংকার মোড়া দীর্ঘ দেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সমাক্ষরেখার কঙ্কালময় গ্রানাইট দোকানের কাছে
শুধু শ্মশান দেখব বলেই হাঁটু মুড়ে বসে পড়ি নিজের ওপর
খন্ডিত গলার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা তিনটি কাটা সাপের দেহ খণ্ডকগুলো আজই সঙ্গম করবে , সঙ্গম শেখাবে , সঙ্গমের দৃশ্য ভেঙে ফেলবে নিজেদের অতিপ্রাকৃত গোপনীয় শঙ্খচূড় অবয়ব , বীরভদ্র আমার ফালাফালা বুকের খোলস ছাড়িয়ে নিজের নিম্নাঙ্গ ঢেকে ফেলবে অথচ তার পালকের কোন ভর থাকবে না দিতি প্রহরে
অযৌন ঈশ্বরীরা ক্ষয়জাত পাথরের আদিম ইলোরা ভেঙে ফেলবে দুটো মৃন্ময় চোখ দিয়ে , আমি চুপি চুপি জেনোটাইপ করছি
এক কসাইয়ের কাছে কাটা কাটা মাংস নিয়ে ঈশ্বর শুয়ে থাকে ঠিক মধ্যরাত পেরিয়ে যাওয়া মৃত রাত্রির লেজ খসানোর পর , পচে যাচ্ছে , গলে যাচ্ছে ঝাউ পাতার মতো উৎক্ষিপ্ত কিছু পচন শুক্রানুর দল , নদী কতোবার জনমতন্ত্র লুকিয়ে রাখতে পারে কালিদহের নীল পাত্রটির কাছে , আমি কি কার্সিনোমা কবিতার নামে কাউকে জোর করে বিষ খাইয়ে দিচ্ছি
আমাদের আর কোন কর্কট সংক্রান্তি নেই বলে মধ্যরাতের সব জারজ নক্ষত্রেরা কিংশুক ব্রহ্মাণ্ডের নিউক্লিও ফিউশন ঘটিয়ে চলছে , কোন শরীরের অনন্ত বান্ধব নেই , শুধু দানপাত্রে নিরাকার কর্মযোগ শুয়ে আছে আমি ব্রহ্মার বুক ভেদ করে তেত্রিশটি গায়ক পাখি বের করলাম
রাত্রি মৃত হয়ে যাওয়ার পর ঈশ্বরীরা দুটো ক্ষয়জাত স্তন দুই হাতে রেখে শ্মশান থেকে ঘুরে আসে
আমি ও দুই হাতে প্যারাফিন বীজপত্র রেখে জমাট শরীর জুড়ে জুড়ে ধনাত্মক রাশির উল্কা প্রবাহ ঘটিয়ে চলি আমার বজ্র ক্ষেত্রে নীরাভরণ আমি , শরীরের প্রতি আমার কোন আসক্তি নেই ,
স্কেরোসিস জিভ ভিজে গেলেই নেমে আসে বেল ফুলের গাণিতিক রূপ , আমরা তখন নিরাকার দর্শক অজস্র জন্মের আঁতুড়ঘর দেখে ফেলেছি দুর্গম কক্ষটির ভেতর
যাকে দেবদারু পাতা ভেবে নিকষ অন্ধকারে রেখে আসি থকথকে মাইক্রোকনড্রিয়া ভেবে সেগুলো হঠাৎ করেই লাল রঙের স্নায়ুতন্ত্রের ভেতর ডুবে গেল
শুধু দুর্গা রানী জানা একটি চন্দন গাছের পর্বমধ্য হয়ে বিছানার তলায় শুকনো পা ওয়ালা ঈশ্বর চিহ্নটিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে , আমি মৃত শরীরকে প্রতিদিন হেঁটে আসতে দেখেছি মরচে বিহীন অ্যাসপিরিন জানালার কাছে , আমার আর কোন পুরুষ জনন তন্ত্র নেই , আমার প্রতিবিম্ব মুখ টিপে টিপে হাসছে অথচ আমার গলায় কাটা মুন্ডের মালা
পিঙ্গলা তন্ত্রের মস্তিষ্কের ভেতর থেকে ধারালো নখর বের করে আনছে জিভের অবশিষ্টাংশ নাভি জাদু সৈনিকেরা , মরফিন চেটে চেটে খাচ্ছে সর্পিলাকার মানুষগুলো , যারা শ্মশান থেকে এইমাত্র তেল মেখে স্নান করল উলঙ্গ নদী ঘাটে দাঁড়িয়ে
বিহারীচকে দাঁড়ালে মানুষগুলো কেমন কেঁচোর মতো শ্মশানের চতুর্ভুজে দাঁড়িয়ে থাকে , মধ্যরাতে কেউ বলে ওঠে আজ আমি সারারাত চাঁদের সাথে নিজেরও মৃত্যু দেখলাম
কিউবিক জরায়ুর ভিতর তিনটি পেন্সিলের সিক্স এইচ বি আঁচড় দাগ , আমি শুধু রক্তাক্ত ডিমেনশিয়া কম্পাস মুখের ভেতর তালগোল পাকিয়ে রেখেছি হিমোগ্লোবিন পুরুষের আদ্ধ শ্রাদ্ধাদির প্রাচীন উপকরণ , দ্বাদশ অঙ্গে চন্দন বৃন্ত লাগালাম
না কোন সাইটোকাইনি নয় , কোন ন্যাস্টিক নয় , কোন বৃন্ত নয় , কোন নাভি ছাড়া রক্ত নয় , কোন শ্মশান সমগ্র নয় , কোন কালাচ সাপ নয় , কোন অন্তক্ষরা নয় , সকলেই সন্তানের মতো জড়িয়ে ধরছে অথচ লাল রক্তের দ্রিমি দ্রিমি বৈকুন্ঠকে কেউ বাজিয়ে যাচ্ছে আর নাশপাতি রঙের ভূগোল বৃত্তান্ত মাঠের ভিতরে আমি আজ অসংখ্য মানুষের গর্ভপাত দেখলাম লাল রঙের বিচুটি পাতার নিচে উপুড় ” রা ” চিহ্ন হয়ে
এখানে একটা মানুষ নিজের ভিতর থেকে অবৈধ রাত্রিটুকুকে
লোহ ক্ষেত্রের একদল পদাতিক সৈনিকদের সাথে অশ্বগন্ধার চাষাবাদ করছে
ক্যাফেইন ভেতর এক একটা দংশিত সাপের লেজ খন্ডক,
হরিণের মতো শর্ভেশ্বর হয়ে নৃসিংহ বধ করছেন , সব সেবিকাই রক্ত দুষ্ট পান্ডু রোগের নিচে একটি সরীসৃপ লুকিয়ে রাখে , যে আমাকে আমার মৃত ভাই , আমার মৃত পূর্বজন্ম আর কিছু সাংখ্যমান মায়েদের মতো একগুচ্ছ নারীকে হত্যা করে ব্রহ্মা পদ্ম এনে দিল আমাকে চিবিয়ে খাওয়ার জন্য , উঃ খুব সুস্বাদু ফল গুলো খাচ্ছি , আমার শরীরে কোন তাপ নেই
আমি তার রক্ত চক্ষুর থেকে অযুত সংখ্যা তত্ত্বের ক্ষত মুখের ঠোঁট বেয়ে গড়িয়ে পড়ছি নৌকার স্পন্দনহীন উভয়লিঙ্গ পরজীবী হয়ে ,
জলজ নবম লিঙ্গের উপপাদ্যে পিথাগোরাস আজও কাল্পনিক হয়ে যায়নি , শুধু মৃত্যুর মতো একটি কবন্ধ স্থলপদ্ম পুঁতে রাখি ভয়হীন উরুপ্রদেশের কাছে , এক পরাবৃত্ত বিশেষজ্ঞ সন্দীপন মুনি অভিশাপ মুক্ত হচ্ছেন
রক্ত জমছে সাদা রঙের দুই হাতে , জমাটবদ্ধ দানপত্রে আমি লিঙ্গ পুরাণের ক্ষত্রিয় সমগ্র লালন করে চলি পূর্ণবৃত্ত পরিক্রমণ ফেলে , জিভে পুঁজ ,
পুঁজের মতো লালাময় সাংসারিক আসক্তিহীন ক্ষয় রোগের ভেতর অন্ধকার রঙের পুরুষ নিজেকে বারবার পুড়িয়ে যায় , শরীর থেকে দাউ দাউ জ্বলে উঠছে হিমাঙ্কহীন ফসফরাস, ফিনকি দেওয়া ডিম্বানুরাই মধ্যচ্ছদা ভেঙে একটি বটগাছে প্রাণায়াম স্থাপন করলো , বুদ্ধ আর কেউ নয় একটি সহজাত কেন্দ্রীয় মন্ডলের নাম , যার গায়ে পারিজাত বৃক্ষের অবয়ব জড়িয়ে উঠছে ঈশ্বরের নামে উৎসর্গ করি ১০৮ অপরাজিতার দলমন্ডল
অট্টহাস্যে ফেটে পড়েন দ্বাদশ শিব , চতুর্দশ বাবা , পঞ্চদশ ব্রহ্মা , আর পঞ্চানন মহাকাল ,১/২ দৈর্ঘ্যের ভিজে যাওয়া আমার ভেতরে থাকা এক পরমাত্মা মহাপুরুষ , যাকে দারুচিনি পাতার মতো লাল আপেল ফল দেখায়
অথচ আমার ঈশ্বরী হৃদরোগের কাল্পনিক ক্যাকটাস ফুল গাছের টব গুলো সরিয়ে দিচ্ছে কোন এক চাঁদের অসুখ বৃষ্টিপাতের দিকে , আজ বৃহস্পতিবারের মেঘ খন্ডগুলো আমাকে যোজক চিহ্নের কাছে নিয়ে যাবে তাই আজ আরো সূক্ষ্ম হলাম
গভীর রাতের দ্রাব্যতা মেপে নেওয়ার জন্য আর কোন রগরগে প্যারামিটার নেই , আমার ঈশ্বরী চাঁদের মতো মৃদু কম্পন নিয়ে নিযুত সন্ন্যাসিনী হয়ে যাচ্ছেন নীল রঙের ব্রহ্মাস্ত্রকে এক বুক মাটির ভেতরে পুঁতে রাখার পর
সাদা বরফ রেখে যাচ্ছি অবৈধ হরিণ মাটির সারা শরীরে অগ্নাশয়ে আবার নেমে এসো ফালাফালা কিছু নিউক্লিয় কোষ ,
মৃত্যু চাইছেন বলে চাঁদের কাছে আর কোন মৃত ঈশ্বরের জন্য কবিতা লেখা হয় না, বিছানা জুড়ে এক একটা বাণপ্রস্থ নদী শুয়ে আছে শরীর থেকে ঘৃতাহুতির গন্ধ বেরিয়ে আসছে
যেখানে কোন গলনাঙ্ক নেই , হিমশীতল বাতাস নেই , কঙ্কন চিহ্ন নেই , কোন স্বর্ণালয় নেই
যে নদী শরণ্যা শরীর জানে , শরীরের কলংক জানে , সেই নদীর পাড়ে অযুত আগ্নেয় ভঙ্গিল পর্বতের উপর ধোঁয়া উড়ছে , না কোন মৃতদেহ নেই অথচ স্বপ্নের ভেতর মায়ের কোলে আমি একটি ভূমধ্যসাগর খুঁজে বেড়াই
ঈশ্বর কাঁপছেন , আমি তার নীল পায়ের কাছে বিবরহীন এক আগ্নেয়াস্ত্রের ত্রি নেত্র উঁচিয়ে ধরি
অযাচিত রাত্রি গুলো পুড়ে গেলেই সব চরিত্রগুলোই কৃষ্ণ ঠাকুর হয়ে যায় , দুটো ইনহেলেশান বৃষ্টিপাত বাবার সাদা ঘোড়ার মতো আস্তাবল খুঁজে যাচ্ছে তরল লাক্ষা দিয়ে……












Leave a Reply