হিমশৈলের কাছে কেউ কেউ পিচ্ছিল হয়ে যায় একটি সদর দরজার মতো , আদিগন্ত মাঠ ও সিংহেরা ক্রমশ মাংসাশী হয়ে যাচ্ছে
আমার যৌন জীবনের দ্বিতীয় কন্ট্রাসেপটিক পদ্ধতিটি ঠিক সমাকলন জলে ডোবানো ছিল গতকাল , আমার অনেক রাত করেই ঘুম আসে বলে ঈশ্বরের সুরাপানের পাত্রটি ভেঙ্গে যায় ,
অর্জুনতলার প্রতিটি বেভারেজ দোকানেই ম্যাজিক মোমেন্ট সরোবরে কিছু ঠান্ডা পানীয়ের বিন্দুগুলি কুয়াশার মতো প্রশান্ত সাগরে পাড়ি দিচ্ছে , আমি যখন নগ্ন কোষ প্রাকারের এক মাঝি
আমি বারুদ জলে ডোবানো একটি শিথিল নৌকা নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম আরো একটি শিথিল কবরের দিকে
রাত তখন ২টো ৪৫ , একটু নেশাখোরের মানুষেরা আজ একপ্রস্থ ক্ষত মুখ দেখাবে নতুন পিচ ঢাকা রাস্তার উপর
আমাদের তখন পেনিসিলিয়াম নোটেটামে শিফন সংক্রান্ত জীবাশ্মের নারী রেখাচিত্র গুলো বারুদ খাচ্ছে পেটিকোটের উষ্ণতা দিয়ে , সব প্রতিবেশী অকৃতজ্ঞের মত হয়না
পৃথিবীর সব মেঘ একসাথেই সাবালক হয়ে উঠছে
একটি পরিচলন বৃষ্টিপাত তার নাভিমূলে মুখ গুঁজে বসে থাকে অর্ধবৃত্ত কাপালিকের মতোই , বিটাডিন অয়েন্টমেন্টের নিচে একটি জলাশয়ে একটি নগ্ন নারী প্রতিদিন ঈশ্বরীর বেশে স্নান করে
আমি শুধু অশ্বখুরাকৃতি ভূগোলের কাছে নিজের নগ্ন আবছায়া মুখের কাছে দেখেছি , আমার কোন অসদবিম্ব নেই
মাছের দেহে শ্মশানের অন্তঃস্থ কোণ জেগে উঠলে আমার রাতের কোন গ্রাফাইট দানা আমাকেই কামড়ে ধরে , রক্তাক্ত হয়ে উঠে আমার শিশ্ন , গর্ভকেশর , তলপেট এমবিক্যাল কর্ড আর বুকের মাঝখানে থাকা রক্তাক্ত স্টার্নাম , আজ নিজেই নিজের চোখকে ব্যবচ্ছেদ করব থ্রমবোফোব খাবার পর
আজ আমার প্র পিতামহের বুকের বৃত্তাকার ব্যথার শব্দ শুনতে পাচ্ছি
আমি শুধু মধ্যরাতে উঠে বিছানার দুটি একান্তর কোণ সমান করি আমরা সকলেই মৃত্যু রঙের 360° ছায়াটিকে জড়িয়ে ধরি একটি খোলশহীন বালিশের নিচে
মৃত্যুর মুখে ক্লোরোফিল বিহীন জারুল ফলগুলোই মরুদ্যান খুঁজে বেড়াবে ঠিক অস্বচ্ছ কাঁচের মতো মেগাস্থিনিসের পোশাক পরিহিত করার পর ,
পায়ের কাছে এক একটা ভৌত ঈশ্বর লুকানো আছে , আমি তখনো ঘুমের কোন স্থানাঙ্ক জ্যামিতি খুঁজে পেলাম না বলে রাতের বিমুগ্ধ গুণিতক চিহ্নটি প্যারেনকাইমা হয়ে যাচ্ছে ঈশ্বর ও তৃতীয় নারীর মতোই , দোলনা থেকে আত্মহত্যার পেন্ডুলাম দুলে যাচ্ছে প্রতিদিন
দরজার নিচে উপুড় হয়ে কিলবিল করবে কোন একটি বাচ্চা সাপের সালফাইড , ২১ টি পিচ্ছিল সরোবর লুকানো আছে আমার শরীরে, আমি জিভ দিয়ে চেটে চেটে সাপেদের পিচ্ছিল ক্লোরোফিল খাই , নারীটি ইছামতি হতে পারে না কোন মতেই
তিনটি বিপ্রতীপ কোণের মুখ জুড়ে ক্রমশ একটি পরকীয়ার সরলরেখা হয়ে গেছে ,
আমি কিছু নগ্ন গাছেদের শিরদাঁড়া কুপিয়ে দেখেছি অপার্থিব মায়া গাছ সর্পগন্ধার মতোই নিম গাছের পর্বমধ্যে এসে জায়মান পুরুষ অসুখটিকে সমাঙ্গদেহে পরিণত করছে ,
আমাদের প্রতিটি বিছানার গোড়ায় এক একটি নীল রঙের কাপালিক দাঁড়িয়ে থাকে ভেজা শরীরে , চতুর্ভুজ
নিরবচ্ছিন্ন মা একদিন নিরক্ষরেখায় কিছু সরীসৃপের ছোবলের কথা জলে গুলে খাইয়ে দেবে রঙ্গন ফুলের উচ্ছিষ্ট দিয়ে
প্রতিটি শিবরাত্রির সম্ভোগের পর আমার দুটো বাহুতে তিনটি গিটার এক সাথেই বেজে ওঠে হিমোসিল পুড়ে যাওয়ার পর
কোন এক গণিতবিদ রাতের বেলায় অযৌন আইনস্টাইন পড়ার পর এক প্রত্ন ভূগোল আবিষ্কার করবেন
সব আগুনের ভেতরে একটি হিমোগ্লোবিন নৌকা শুয়ে আছে পোষাকের ভেতর নগ্ন জ্যামিতিক গুলোই আমার শল্কমোচন ঘটিয়ে যাচ্ছে রাসায়নিক জিভ খসে যাওয়ার পর
আজ একটু পূর্বজন্মের জ্বরবিহীন স্ত্রী লিঙ্গের ঘোড়ারা
নিউমুলোসাইড খাবে তলপেট ভরে …..












Leave a Reply