মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় গৃহবধু কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধর করার অভিযোগ।

0
275

সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং – মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এক গৃহবধুকে বেধড়ক মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠলো প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালে ক্যানিং থানার অন্তর্গত তালদি গ্রাম পঞ্চায়েতের তালদি পোল এলাকায়। ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় প্রতিবাদী গৃহবধু ও তাঁর ননদ ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে বিগত কয়েক বছর ধরেই এলাকায় মাদক ব্যবসা রমরমিয়ে চালাচ্ছিল মোজাম মোল্লা। এমন ঘটনা নজরে পড়ে গৃহবধু রেজিনা সরদারের। তিনি প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ প্রতিবাদ করায় বিগতরকিছুদিন আগে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিলো।আরো অভিযোগ শনিবার সকালে আচমকা ধারালো চপার নিয়ে ওই গৃহবধুর বাড়িতে চড়াও হয় মাদক কারবারী মোজাম,উরাইয়া,আলে মোল্লা‘রা। ওই গৃহবধু কে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করে তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।যন্ত্রণায় ছটফট করে কান্নাকাটি শুরু করলে তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন ননদ নিখাত সরদার। অভিযোগ তাঁকে ও চড় থাম্পড় মারা হয়। এরপর অভিযুক্তরা পালিয়ে গেলে ওই গৃহববধু কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে সরদার পরিবারের লোকজন। বর্তমানে আশাঙ্কাজনক অবস্থায় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই গৃহবধু। অন্যদিকে এমন ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে হাজীর হয়েছেন ওই গৃহবধুর স্বামী আইজুল রহমান সরদার।
তিনি অভিযোগ করে বলেন ‘এলাকায় মোজাম ও তার দলবল মাদক ব্যবসা রমরমিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে।প্রতিবাদ করায় আমার স্ত্রী কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অভিযোগ জানিয়েছি।’
অন্যদিকে ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক পরেশরাম দাস বলেন ‘এলাকায় মাদক ব্যবসা যাতে বন্ধ হয় সেই নিয়ে বিগত কয়েকমাস আগে এলাকায় মিছিল করেছিলাম।পুলিশ কে জানিয়েছিলাম। কিছুই হয়নি।আবার এমন ঘটনা ঘটনায় পুলিশ কে বলেছি আইনত ব্যবস্থা নিতে।পুলিশ যদি না ব্যবস্থা গ্রহণ করেন,তা হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে পর বাড়াতে বাধ্য থাকবো। ’
ক্যানিং থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করতে পারেনি।