অন্ধকার রাত্রির জন্য ঘোতনের খুঁজতে সময় লাগছে । কিন্তু ঘোতন নাছোড়বান্দা । যেভাবে হোক সে বোনকে উদ্ধার করে বাড়ি ফিরবে । সালারের বিভিন্ন অলি-গলি খোঁজার পর ঘোতন কিছুটা হতাশ । রাস্তার পাশে কাঁটায় ভর্তি ‘বাবলা’ গাছের তলায় দাঁড়লো । কিন্তু রাস্তার পাশে দাঁড়ানো সমস্যা । কেননা তাদের দাঁড়ানো দেখে বেশ কয়েকটা কুকুর ছুটে এলো । তাদের ঘেউ ঘেউ শুনে দূরের কুকুরেরাও জড়ো হয়ে ঘোতনদের সামনে তুমুল ঘেউ ঘেউ শুরু করে দিলো । শোনা যায়, সালারে নাকি রাত্রিরবেলায় এটা এক ধরনের কুকুরের উৎপাত ! ঘোতনের হঠাৎ মনে পড়লো, ভরতপুরে কয়েকবিঘা জমি নিয়ে ফেকলুদের বাগান বাড়ি । সেখানে একজন কেয়ারটেকার তাদের জমিজায়গা দেখাশুনা করে । ইতিপূর্বে কোনো একটি ঘটনার প্রেক্ষাপটে ঘোতন সেই বাগান বাড়িতে গিয়ে লুকিয়ে থাকা ফেকলুকে খুঁজে পেয়েছিল । মনে পড়তেই আর দেরি নয় ! সঙ্গে সঙ্গে সালার থেকে তারা বাইক নিয়ে ছুটলো ভরতপুরের দিকে । ভরতপুরে একটি ব্লক অফিস । যার জন্য ভরতপুর জায়গাটা জমজমাট । সালার থেকে কান্দীর দিকে সোজা রাস্তা । ইদানীং রাস্তার অবস্থা অনেক ভাল । বন্ধুকে নিয়ে রাত্রিতে ঘোতন জোরে বাইক চালাচ্ছে । কেননা রাত্রি তখন তিনটে । ভোর হতে দেরী নেই ।
মনীষা বাবাকে নিয়ে সোজা থানায় । তারা যাচ্ছিল নিয়ামতপুর থানায় । অত রাত্রিতে অনিন্দকে মেয়ের সাথে যেতে দেখে গাঁয়ের কংসবণিক জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলো, তারা যাচ্ছে মিঁয়া স্টেশনের দোকান থেকে গায়েব হওয়া অনীশার ব্যাপারে থানায় ‘এফ-আই-আর’ করতে । কংসবণিক তখন মাথা চুলকিয়ে অনিন্দকে বলল, “মিঁয়া স্টেশন পড়ছে শক্তিপুর থানার মধ্যে । সুতরাং তোমাকে শক্তিপুর থানায় এফ-আই-আর করতে হবে । নিয়ামতপুরে গেলে সেই থানা তোমাদের অ্যালাউ নাও করতে পারে ।“
সঙ্গে সঙ্গে কংসবণীকের দিকে তাকিয়ে মনীষা বলল, “আপনি সঠিক বলেছেন কাকা । আমরা কষ্ট করে এত রাত্রিতে নিয়ামতপুর থানায় যেতাম বটে, কিন্তু আমাদের কোনো কাজ হত না । উল্টে খাটুনিই হত । আমরা এবার শক্তিপুর থানায় রওনা দিচ্ছি ।“
শক্তিপুর থানায় পৌঁছে তারা দেখলো একজন ডিউটি অফিসার ছাড়া অন্য কোনো পুলিশ নেই । তিনজন কনস্টেবল গেছে শক্তিপুর বাজারে টহল দিতে । বাজারে ঠিকমতো পুলিশি টহল না থাকলে বাজার কমিটির সেক্রেটারির লম্ফঝম্ফ শুরু হয়ে যায় । যার জন্য থানায় পুলিশ থাক বা না-থাক, শক্তিপুর বাজারে রাত্রি দশটার পরে পুলিশ পোস্টিং অবধারিত ।
ডিউটি অফিসারকে মনীষা বলল, “আমার বোনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না । বোনকে খুঁজে না পেলে মাকে বাঁচানো কঠিন । স্যার, আমরা বিষয়টা থানায় ‘এফ-আই-আর’ করতে চাই ।“
“বোনের নাম কী ?” ডিউটি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন ।
“বোনের নাম অনীশা ।“
তারপর মনীষার দিকে তাকিয়ে ডিউটি অফিসার বললেন, “আমি আপনার বোনের নাম লিখে রেখেছি । আমরা খবর পেলে ঠিক সময়ে জানিয়ে দেবো ।“
“না স্যার, সেটা হবে না । এফ-আই-আর না করলে আমরা বাড়ি ফিরব না ।“ মনীষা বেঁকে বসলো । মনীষা জানে, এফ-আই-আর হলে পুলিশ কিছুটা হলেও নড়েচড়ে বসবে এবং তল্লাশিতে জোর দেবে । পুলিশ চাইলে, বোনের উদ্ধার সহজেই সম্ভব ।
ডিউটি অফিসারের টালবাহানা দেখে মনীষা জেলার এস-পি সাহেবকে ফোন করলো । এস-পি সাহেবের ফোন নম্বর মনীষার কাছে ছিল । এস-পি সাহেব ফোন ধরলেন । তবে তিনি সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন । গলার আওয়াজটা অন্তত সেইরকম ! ফোনটা ধরেই গম্ভীর স্বরে তিনি বললেন, “এত রাত্রিতে কী ব্যাপার ?”
মনীষা কেঁদে কেঁদে বলল, “স্যার, আমার বোনকে পাওয়া যাচ্ছে না ।“
“আপনার গলা শুনে আমি আন্দাজ করেছি, এই ধরনের সমস্যা ছাড়া এত রাত্রিতে কোনো মেয়ে ফোন করতে পারে না । এবার বলুন, আমাকে কী করতে হবে ?” এস-পি সাহেব মনীষাকে বললেন ।
স্যার, আমার বোনটাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিন ? ব্যস ! তাতেই আমরা খুশী ।
“থানায় জানিয়েছেন ?” জানতে চাইলেন জেলার এস-পি সাহেব ।
“থানায় জানিয়েছি । কিন্তু থানা এফ-আই-আর নিতে ইতস্তত করছে ! আমাদের এখন পুলিশী সহযোগিতা দরকার ।“ মনীষার আবার কান্না !
শক্তিপুর থানার বড়বাবু অনীশার উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়লেন । এই ব্যাপারে পুলিশ সুপার অনেকটাই সহযোগিতা করলেন । তাঁর সক্রিয় প্রয়াসে পুলিশ বিভাগ নড়েচড়ে বসলো । থানার বড়বাবু বাজারে টহলরত কনস্টেবলদের নিয়ে অনীশার খোঁজে বের হলেন । কোথায় বা কোনদিকে তাঁরা গেলেন মনীষার বোধগোম্য হল না । তবে বুঝতে পারলো, পুলিশ এখন অনীশার উদ্ধারে মরিয়া ।
ভরতপুরের বাগান বাড়িতে ঘোতনকে কিছুতেই ঢুকতে দিচ্ছে না । ফেকলু চারটে গুণ্ডা বাইরে পাহাড়ায় মোতায়েন রেখেছিল, যাতে ভিতরে কেউ ঢুকতে না পারে । তারা প্রচণ্ড ঝামেলা করছিল ঘোতনের উপর । কিন্তু ঘোতন ছাড়নেওয়ালা বান্দা নয় । বীর-বিক্রমে ঘোতন গুণ্ডাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল । অল্প কয়েক ঘা পিঠে পড়তেই চার বান্দা কাহিল । পালানোর জন্য দৌড়িয়ে কূল পাচ্ছে না । ভিতরে ঢুকে ঘোতনের চোখ ছানাবড়া । ফেকলু অনীশাকে নিয়ে যে ঘরে ঢুকেছে সেই ঘরের দরজা বন্ধ । অনীশার ক্রমাগত চিৎকার, “আমাকে বাচাও ! আমাকে শয়তানটার হাত থেকে বাচাও !” সময় নষ্ট না করে ঘোতন লাথি মেরে ঘরের কাঠের দরজা ভেঙ্গে ফেললো । অনীশার আলুথালু বেশ । অনীশা দাদাকে কাছে পেয়ে, বোঝাই যাচ্ছে সে স্বর্গ হাতে পেলো । তারপর শুরু হল ঘোতন ও ফেকলুর মধ্যে খণ্ড যুদ্ধ । ঘোতনের সাথে মারপিটে পেরে উঠছে না ফেকলু । ফেকলুও যথেষ্ট শক্তিধর । কিন্তু ঘোতনের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে ফেকলু কাহিল । শেষে ফেকলু নিজেকে বাঁচাতে পেছনের দরজা দিয়ে চম্পট । দৌড়ে একেবারে ঘোতনের নাগালের বাইরে । দূরে মোটর বাইক রেডি ছিল । ফেকলুকে তুলে নিয়ে উধাও । শত চেষ্টা করেও ঘোতন আর ফেকলুকে ধরতে পারলো না । অগত্যা বোনকে নিয়ে সোজা বাড়ি ।
ভোরের সকালে অনিশাকে ফেরত পেয়ে বাড়ির সকলে খুব খুশী ।
পুলিশ হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো ।
অনিশা হাড়ে হাড়ে টের পেলো, বাস্তব জগত বড় কঠিন । বিশেষ করে মেয়েদের সন্ধ্যার অন্ধকারে অতি পরিচিত রাস্তা দিয়েও চলাফেরাতে বিপদের আশংঙ্কা প্রতি পদে পদে । অনীশার মনে পড়ছে তার মা প্রায়শ বলে, “নিজের নিরাপত্তা নিজের কাছে । তার জন্য প্রস্তুতি দরকার । বিপদে পড়ার আগে নিজেকে এমনভাবে তৈরী রাখতে হবে যাতে যে কোনো বিপদের মোকাবিলা শক্ত হাতে করা যায় ।“ অনীশা ঠিক করলো তাকে ক্যারাটে শিখতে হবে । চায়ের দোকান চালিয়ে কোন্ ফাঁকে ক্যারাটে শেখা যায় তার প্রমাদ গুণতে থাকলো । মিঁয়া স্টেশনের চায়ের দোকান গতানুগতিক ধারায় চলতে শুরু করলো । এবার স্বয়ং ঘোতন অনীশার চায়ের দোকানের দেখ-ভাল ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে রইলো । ফলে অনীশার চায়ের দোকানে অহেতুক উৎপাত একদম বন্ধ !
*******************************************
স্কুল ছুটি হয়েছে অনেকক্ষণ । অথচ বিপাশার বাড়ি ফেরার নামগন্ধ নেই । মনীষা জানে, স্কুল থেকে ফেরার সময় ষষ্টিকমল দাদুর বাড়ি বিপাশা কিছুটা সময় কাটায় । ষষ্টিকমল দাদু বিপাশাকে একটু অতিরিক্ত স্নেহ করেন । যার জন্য দাদুকে বিপাশার অনেক অন্যায্য আবদার মেটাতে হয় । বিপাশার বিভিন্ন রকমের খাবারের আবদার থাকে । সেগুলি ষষ্টিকমল দাদুকে সামলাতে হয় । বলা চলে বিপাশার দৈনন্দিন জীবনের একটা রুটিন, “স্কুল থেকে ফেরার সময় দাদুর সাথে কিছুটা সময় কাটানো !” বাড়িতে এই নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না । এমনকি কঙ্কাবতীও বিপাশার ষষ্টিকমল কাকুর বাড়িতে যাতায়াতে নীরব ।
কিন্তু ষষ্টীকমল দাদুর সাথে বিপাশার মেলামেশাকে মনীষা সহজভাবে মেনে নিতে পারছে না । এই মেলামেশাকে মনীষা কিছুতেই স্বাভাবিক ভাবতে পারছে না । মনীষার এইরূপ চিন্তার কারণও রয়েছে । ষষ্টিকমল দাদু একা থাকে । ছেলে-বৌমা সেই কোন্ কাক-ভোরে শহরের অফিসে বেরিয়ে যায়, ফেরে সন্ধ্যাবেলায় । যদিও তাদের রবিবার ছুটি । ছুটির দিনে দাদুর বাড়িতে খাওয়া-দাওয়ার সাংঘাতিক বহর । সেদিন বিপাশার স্কুল বন্ধ । সুতরাং দাদুর বাড়িতে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না । অন্যদিকে দিদিমা থাকেন তাঁর মেয়ের বাড়িতে । ষষ্টিকমল দাদুর বয়স বাড়লেও চেহারায় তার ছাপ কম । বিপাশার উঠতি বয়স । চেহারায় যৌবনশ্রী স্পষ্ট । তা ছাড়া এই বয়সে একটা বয়স্থা মেয়ের ভবিষ্যতের ভাল-মন্দ বা হিত-জ্ঞান খুব কম থাকে । শারীরিক আনন্দটা প্রাধান্য পায় । তখন পুরুষ মানুষের বয়সটা মুখ্য নয়, পুরুষ মানুষের ছোঁয়া পাওয়াটা মুখ্য হয়ে দাঁড়ায় । স্পর্শানুভূতিতে অন্য সুখ অনুভব করে । তাই মনীষার সন্দেহ । কেননা ঐরকম কোনো স্পর্শানুভূতির মোহে বিপাশা পাগল কিনা ?
স্কুল থেকে বিপাশার ফিরতে দেরী দেখে মনীষা ষষ্টীকমল দাদুর বাড়ির দিকে রওনা দিলো । মা সব্জী বিক্রি করে বাড়ি ফিরতে এখনও অনেক দেরী । বৌদি তাদের চারটি বোনের ভাল-মন্দের ব্যাপারে একদম নাক গলায় না । কেননা তারা চারটে বোন তাগড়াই ও শক্তপোক্ত । নিজেরাই নিজেদের কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত । বড় বৌদি হামেশাই বলে, “তোমরা নিজেরাই নিজেদের অভিভাবক । সুতরাং তোমাদের ভাল-মন্দের ব্যাপারে তোমরাই বরং বেশী সজাগ । আমার কাজ হচ্ছে, তোমাদের ঠিকমতো ডেকে খাবার খাওয়ানো ।“ সুতরাং বিপাশার আচরণ নিয়ে বৌদির কোনো মাথাব্যথা নেই । তাই অনেক ভেবে-চিন্তে মনীষা ষষ্টিকমল দাদুর বাড়ির দোরগড়ায় হাজির ।
অতি সন্তর্পণে বাড়িতে ঢুকলো মনীষা । কিছুটা চোরের মতো ঢোকা । এছাড়া উপায় নেই । ষষ্টিকমল দাদু ও বিপাশার গল্পগুজবের বহর অনুধাবন করতে হলে এছাড়া উপায় নেই । আশ্চর্যের ব্যাপার, দাদুর শোওয়ার ঘরের দরজা বন্ধ । বাড়িতে দাদু-নাতনীর ঘোরাফেরার জন্য ঘরের দরজা বন্ধ থাকবে কেন ? ঘর বন্ধ দেখে মনীষার সন্দেহ ক্রমশ ঘনীভূত হলো । ঘরের দরজায় কান পাতলো মনীষা । ভিতরে বিপাশার হাসির আওয়াজ !
দরজায় কড়া নাড়তে গিয়েও মনীষা থামলো । শব্দ করলে মনীষার আসল উদ্দেশ্য নষ্ট হয়ে যাবে । সেইজন্য খুব আলতোভাবে দরজায় টোকা দিলো । কি আশ্চর্য, দরজা খুলে গেলো । ভিতরের দৃশ্য দেখে মনীষা রীতিমতো রাগে অগ্নিশর্মা ! ষষ্টিকমল দাদু একটা চেয়ারে ঢিলে পায়জামা পরিহিত অবস্থায় বসা । সেই দাদুর কোলে বসে বিপাশা আয়েশ করে আইসক্রিম চাটছে । অন্যদিকে দাদু বিপাশার উন্মুক্ত পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে । হাত বুলানোর স্পর্শানুভূতিতে বিপাশা আনন্দে মুখরিত । খিল খিল করে হাসছে আর দাদুকে নির্দেশ দিচ্ছে, হাতটা বিপাশার পিঠে কোথায় কোথায় বুলাতে হবে । অন্যদিকে ষষ্টিকমল দাদুর চোখ দুটির তীক্ষ্ণ দৃষ্টি বিপাশার মুখের নীচের দিকে । এই দৃশ্য দেখে মনীষা আর স্থির থাকতে পারলো না । মনীষা জানে, উঠতি বয়সের মেয়েদের মতো তার ছোট বোনেরও ছটফটানি আছে । থাকাটাই স্বাভাবিক । তার নিজের জীবনেও আছে । কিন্তু সেটা স্থান, কাল, বয়স, পাত্র, ইত্যাদির কথা ভেবে ছটফটানি জাগ্রত হওয়াটা স্বাভাবিক । অথচ বিপাশা এক বুড়োর পাল্লায় পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে । এতে বিপাশার বিপদ অনিবার্য ।
ষষ্টিকমল দাদুর কোল থেকে বিপাশাকে জোর করে তুলে একরকম মারতে মারতে বাড়ি ফিরিয়ে আনলো । তারপর সারা জীবনের জন্য ষষ্টিকমল দাদুর বাড়ি যাওয়া বন্ধ । ব্যাপারটা মনীষা ধামাচাপা দিলো না । ছেলে ও বৌমার উপস্থিতিতে ষষ্টিকমল দাদুর কুকীর্তি তাঁদেরও জানিয়ে রাখলো । ঐরকম অভব্য আচরণ তারা কখনও বর্ষীয়ান ষষ্টিকমল দাদুর কাছ থেকে আশা করেনি । ভবিষ্যতে কোনোদিন ঐরূপ আচরণ ষষ্টিকমল দাদুর কাছ থেকে পেলে সেদিন তাদের বোনদের হাত থেকে দাদুকে বাঁচানো ভীষণ কঠিন !
তারপর বিপাশা পড়াশুনায় মন দিলো । ঘোতন চড়ুইডাঙা গ্রামের সনত মাস্টারের কাছে টিউশন পড়তে দিলো । আদাজল খেয়ে খাটলো বিপাশা । তারপর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করে কলেজে ভর্তি হলো ।
বিপাশা নিজেরটা নিজে বুঝতে শেখায় মনীষা খুব খুশী ।
(ক্রমশ)
Leave a Reply