আশি উর্ধ্ব এক বৃদ্ধার ক্ষোভের মুখে পড়লেন জয়প্রকাশ মজুমদার।


নিজস্ব সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ নিয়ে বাঁকুড়ার জঙ্গল মহলে গিয়ে আশি উর্দ্ধ এক বৃদ্ধার ক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ‘দিদির দূত’ জয়প্রকাশ মজুমদার। বুধবার তালডাংরা বিধানসভা এলাকার সিমলাপাল ব্লকের মাচাতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের জিরাবাইদ গ্রামে যান সপারিষদ যান তিনি। সেখানেই জয়প্রকাশ মজুমদারদের ‘চোখে চোখ রেখে’ বিধবা ঐ বৃদ্ধা বলেন, ‘আমি কুথাও কিছু পাচ্ছি নাই । স্বামী নাই, বৃদ্ধা ভাতা পাই নাই, তুমরাই তো দেখবে’। এরপর রেশন প্রসঙ্গ তুলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন জয়প্রকাশ মজুমদার স্বয়ং। এই অবস্থায় ঐ বৃদ্ধার সপাট জবাব, রেশন কেন! ‘কুথাও কিচ্ছু পাই নাই’। পরে আধার কার্ড না থাকার অজুহাত দেখিয়ে কোন রকমে ঐ এলাকা ছাড়েন তাঁরা।

তবে সাধারণ একজন গ্রাম্য বিধবা বৃদ্ধা মহিলার ক্ষোভের মুখে সাত সকালে তাঁদের পড়তে হবে! বোধহয় স্বপ্নেও কল্পনা করেননি ‘দিদির দূত’ জয়প্রকাশ মজুমদার সহ অন্যান্যরা। এই ঘটনায় বেজায় অস্বস্তিতে শাসক শিবির।

এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিজেপি নেত্রী ও সাংসদ লকেট চ্যাটার্জী বলেন, জয়প্রকাশ মজুমদার কয়েকবার দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন, ‘তৃণমূলে লাথি খেয়েও ঐ দলে গেছেন’। এই অবস্থায় ‘সম্মানটা কোথাও থাকে নাকি’ বলেও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *