নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:– রানাঘাট-১ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের অফিসে হাজিরা দিয়ে এক শিক্ষকের বেতন মিলছে বলে অভিযোগ। রানাঘাট-১ চক্রের অধীনে রয়েছে চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে সেই স্কুলে ৮১ জন পড়ুয়া রয়েছে। ২০১৩ সালে ওই স্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে অন্য স্কুল থেকে বদলি হয়ে আসেন পরিমল কুমার বাইন। স্কুলের অন্যান্য সহকারী শিক্ষক ও মিড ডে মিলের রাঁধুনিদের সঙ্গে অভব্য ব্যবহারের অভিযোগে তাকে ২০১৯ সালে সরিষাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু ২০২১ সালে তিনি আবারও আগের বিদ্যালয় ফেরেন। বছর ৫৭-র পরিমল কুমার বাইন বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বিয়ে করবেন বলে ছাত্রীর অভিভাবকে ফোনে প্রস্তাব দেন। গত ইংরেজি বছরের জুন মাসের এই ঘটনার পর থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকরা শিক্ষক পরিমলের প্রতি ক্ষুব্ধ। বিষয়টি নিয়ে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত বাগচী অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে অভিযোগ জানান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ইংরেজি বছরের জুলাই মাসের ৯ তারিখ অভিযুক্ত শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে তুলে নেওয়া হয়। তাকে অন্য কোনও বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়নি। তখন থেকে তিনি রানাঘাট-১ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের অফিসে নিয়মিত আসছেন, হাজিরা দিচ্ছেন এবং মাসের শেষে বেতনও নিচ্ছেন বলে অভিযোগ।
রানাঘাট-১ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের অফিসে হাজিরা দিয়ে এক শিক্ষকের বেতন মিলছে বলে অভিযোগ।












Leave a Reply