নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা, ২২ মার্চ:- ভারত সরকারের যুব ও ক্রীড়া দপ্তরের অধীনস্থ মালদা নেহেরু যুব কেন্দ্র ও নমামি গঙ্গার উদ্যোগে বামনগোলা ব্লকের ডাকাত পুকুর স্টুডেন্ট স্পোর্টিং ক্লাবের সহযোগিতায় বিশ্ব জল দিবস উদযাপন করা হল। ১৯৯৩ সালের ২২ মার্চ থেকে বিশ্ব জল দিবস পালন করা হলেও ২০২৩ সালে যেভাবে পানীয় জল সংকটের সম্মুখীন হয়েছে তাতে প্রাণীজগৎ খুবই বিপদগ্রস্থ। তাই জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে এক সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর গলায় মাল্যদান এবং জাতিসংগীতের মাধ্যমে প্রোগ্রাম অনুষ্ঠান শুরু হলেও গ্রামের সমস্ত যুব সমাজকে নিয়ে রেলি এর মাধ্যমে জল সংরক্ষণের বার্তা পৌছে দেওয়া হয়। যে সমস্ত কল গুলিতে ট্যাব ছিল না সেগুলোতে ট্যাব লাগানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং জল অপচয় বন্ধ করার বার্তা প্রত্যেক ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হল। জল ধরো, জল ভরো প্রকল্প ও বৃষ্টির জল ধরো প্রকল্পগুলি যাতে বাস্তবে ব্যবহৃত হয় সে বিষয়েও আলোচনা করা হয়।পাশাপাশি আজকের এই কর্মসূচিতে বৃক্ষরোপণ ও নির্মল বাংলা, স্বচ্ছ ভারত ,শপথ গ্রহণ, কুইজ বিষয়েও জনসাধারণকে সচেতন করার বার্তা দেওয়া হয়।আজকের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় জেলা প্রকল্প আধিকারিক সুব্রত দাস ,পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সুনীল বর্মন, বিশিষ্ট সমাজকর্মী শ্রীমতি শিবানী মাহাতো, ক্লাবের সম্পাদক গণেশ বর্মন,বিনয় মাহাতো সহ আরো বিশিষ্টিবর্গগণ।
সুনীল বর্মন বলেন- দিন দিন যে হবে প্রতিটি প্রাণী জলের সংকটে পড়েছে তাতে ভূগর্ভস্থ জল শেষ হয়ে আসছে ।আমরা যদি ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগের জল ব্যবহার না করি তাহলে কিছু বছর পরেই পানীয় জলের জন্য জীবনহানি হবে। তাই মাটির নিচে জলকে অযথা ব্যবহার না করে মাটির উপরের পুকুর ,খাল বিল ,নদীর জল ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করেন।
সুব্রত দাস বলেন – জলের অপর নাম জীবন। তাই বেঁচে থাকার জন্য আবশ্যক বিশুদ্ধ জল। এদিকে কিছু মানুষের ভুলে প্রতি মুহূর্তে জল দূষিত হচ্ছে। তেমনই গর্ভস্থ জল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যা বন্ধ করা প্রয়োজন। সকলের মিলে উদ্যোগ নিলে তবেই জল রক্ষা করা সম্ভব। এই বার্তা দিতেই পালিত হচ্ছে বিশ্ব জল দিবস।












Leave a Reply