নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- কপালে স্বামীর সিঁদুরের অপেক্ষায় মৃত্যুর পর দেহ পড়ে রইলো বাড়িতেই। সিঁদুরের দাবিতে মৃতদেহ আটকে বিক্ষোভ প্রতিবেশীদের। নদিয়া তেহট্ট থানার মালিয়াপোতার ঘটনা। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিবাহিত মহিলার মৃত্যুর পর স্বামীর হাতে সিঁদুর পড়ে সৎকার্য সম্পন্ন করা হয়। শশুর শাশুড়ি ও স্বামীর অত্যাচার। তিন দিন না খেতে দিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ গৃহবধূকে। প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে যোগাযোগ করে না শ্বশুর বাড়ির লোকজন, অবশেষে মৃত্যু হয় গৃহবধুর। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে গৃহবধুর বাপের বাড়ির পরিবার। গৃহবধূ সৎকারের আগে পলাতক স্বামী, যতক্ষণ না পর্যন্ত রীতি অনুযায়ী গৃহবধুর কপালে সিঁদুর পড়ানো হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত সৎকার হবেনা গৃহবধুর মৃতদেহ। এই দাবিতে বিক্ষোভ এলাকাবাসী সহ গৃহবধুর পরিবারের। ঘটনাটি এদিন নদীয়ার তেহট্ট থানার মালিয়াপোতা গ্রামের। জানাযায় মৃত গৃহবধুর নাম রানী মন্ডল, বিবাহ হয় প্রসেনজিৎ মন্ডল নামে এক যুবকের সাথে। অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই গৃহবধুর উপর প্রতিনিয়ত অত্যাচার করত শ্বশুরবাড়ি লোকজন। বেধড়ক মারধর করত তার স্বামী, আর যার ফলস্বরূপ এইভাবে মৃত্যু হয় ওই গৃহবধূর। যদিও ঘটনাস্থলে যায় তেহট্ট থানার পুলিশ, এরপর কথা বলে ক্ষুব্ধ গৃহবধুর পরিবারের সাথে। যদিও পরিবারের দাবি, তাদের রীতি অনুযায়ী যতক্ষণ না পর্যন্ত সিঁদুর দান হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাবেন তারা। যদিও ভোররাত পর্যন্ত এই টানা পড়েন চলতে থাকলে অবশেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে বিক্ষোভ তুলে নিয়ে গৃহবধূর মৃতদেহ সৎকার করা হয় বলে জানা যায়।
কপালে স্বামীর সিঁদুরের অপেক্ষায় মৃত্যুর পর দেহ পড়ে রইলো বাড়িতেই।












Leave a Reply