উঃ দিনাজপুর, রাধারানী হালদারঃ- একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ রাজ্যের মহিলাদের কোন ক্ষেত্রেই ইনসাফ দিতে পারেনি,রক্ষা করতে পারেনি নারীদের মানসন্মান,তাই আর সহ্য নয়, এ রাজ্যের নারী পুরুষ একযোগে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এই বর্বর সরকারকে তাদের ক্ষমতা থেকে উৎখাত করেই ছাড়বে। সামনেই মানুষের হরকা বানে এই অত্যাচারী সরকার ডুবতে চলেছে।কোন ভাবেই এই সরকারকে কেও বাঁচাতে পারবেনা।বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ শহরের মহেন্দ্র গঞ্জ নাট মন্দির ময়দানে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন,ছাত্র ফেডারেশন, এআইডিডলিউএ,সামাজিক ন্যায়মঞ্চ এবং আদিবাসী অধিকার মঞ্চের পক্ষ থেকে এক বিশাল জনসভায় এই কথা বলেন ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের রাজ্য সভানেত্রী মিনাক্ষী মুখার্জী।তিনি বলেন এই রাজ্য সরকারের এখন একটাই কাজ তৃণমূল দলের নেতারা প্রতিদিন রাজ্যের সর্বত্র ধর্ষণ,চাকরি চুরি,গরু চুরি করছে আর তাদের বাঁচাতে নানান ধরনের কৌশল অবলম্বন করে বাঁচার চেষ্টা করে যাচ্ছে।তিনি বলেন কালিয়াগঞ্জ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয় শহরকে অশান্ত করেছে এই সরকারের প্রশাসন।প্রশাসন যেভাবে নির্দেশ পেয়েছে পুলিশ রাতের অন্ধকারে সেই ভাবে রাধিকাপুরের চাঁদগায়ে গিয়ে বিয়ে বাড়ি থেকে নির্দোষ ৩৩বছরের মৃত্যুঞ্জয় কে সোজা বুকে গুলি করে রা রাজ ধর্ম পালন করেছে কার নির্দেশে? কার নির্দেশে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করার পর তাকে বিষক্রিয়ায় মারা গেছে বলে দেখানো হচ্ছে? মিনাক্ষী দেবী বলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা শুধু নয় গোটা রাজ্যের মানুষ এর একটা একটা করে হিসাব নেবার জন্য প্রস্তুত হয়েছে।তিনি বলেন এই রাজ্যের মহিলা নেত্রী খুব সহজেই বুঝতে পেরেগেছে তার মুখ্যমন্ত্রীর আমলে যত অত্যাচার ,অবিচার করা হয়ে ছে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।তাই আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে গেলে ব্লু প্রিন্ট তৈরি করে কাজ করতে হবে।এই সব অরাজকতা তারই ফসল।জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সারা ভারত মহিলা সমিতির সভানেত্রী কনিনিকা ঘোষ তার জ্বালাময়ী ভাষণে বলেন কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে খুন হওয়া যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের পরিবারের চাকরির ব্যাবস্থা,মৃত ছাত্রীর পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেবার দাবির সাথে সাথে পাঁচটি বামপন্থী সংগঠনের দাবি দুটি মৃত্যুর ক্ষেত্রেই প্রকৃত ঘটনা মানুষের সামনে প্রকাশ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করতে হবে। জনসভায় বক্তব্য রাখেন রাজ্য ডি ওয়াই এফ্ আই এর নেতা ধ্রুবজ্যোতি সাহা,আদিবাসী মঞ্চের নেতা কুলীন বিহারী বাস্কে ,সামাজিক ন্যায় মঞ্চের নেতা তাপস সরকার,আলপনা বর্মন এবং নবনীতা চক্রবর্তী।সভার আগে মিনাক্ষী মুখার্জি পাঁচ জনের প্রতিনিধি নিয়ে রাধিকা পুড়ে মৃত মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন তাদের পাশে থেকে সবরকম সহযোগিতা করবার প্রতিশ্রুতি দেন।তেমনি মৃতা ছাত্রীর পরিবারের সাথে দেখা করে সব রকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসেন।
একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ রাজ্যের মহিলাদের কোন ক্ষেত্রেই ইনসাফ দিতে পারেনি : মিনাক্ষী মুখার্জী।












Leave a Reply