পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- শারদীয়া উৎসবের পর সমস্ত জায়গায় মহাসাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে শ্যামাপূজো। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও বড়শুল কিশোর সংঘে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শ্যামা পুজো। এ বছর তাদের শ্যামাপুজো ৩৮ তম বর্ষের পদার্পণ করল। এই শ্যামা পূজো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক। বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, প্রতিবছর এই শ্যামা পূজার উদ্বোধনে আমি এখানে আসি। একটা কথা বলতেই হয় শুধুমাত্র আমার উত্তর বিধানসভায় নয় গোটা পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও এইরকম আরেকটি ক্লাব আছে বলে আমি মনে করি না। যারা সারা বছর সামাজিক কর্মসূচিতে এবং মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। প্রতিবছর এই শ্যামা পূজা উপলক্ষে মানুষের হাতে যেমন নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয় তেমনি শক্তিগড় থানার অন্তর্গত সিভিক ভলেন্টিয়ার্সদের যে দুর্ঘটনা জনিত বীমা তুলে দেওয়া হয় তাও এই বড়শুল কিশোর সংঘের কর্মকর্তাদের মস্তিষ্ক প্রসূত। লকডাউনের সময় আমি দেখেছি কখনো মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সবজি বাজার,আবার কখনো তুলে দেওয়া হয়েছে মুদিখানার বাজার। তাই এখানে আসতে পেরে আমার খুব ভালো লাগে। আজ শ্যামা পূজা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুভরাম্ভ করা হয় প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যে দিয়ে। এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই শক্তিগড় থানার অন্তর্গত সিভিক ভলেন্টিয়ারদের দুর্ঘটনা জনিত বীমা প্রশংসা পত্র তুলে দেয়া হয় এবং ৩০০ জন মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন বস্ত্র।এছাড়াও আজ উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মহিলা থানার আইসি বনানী রায়, বর্ধমান দুই পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দেবদীপ রায় সহ গুণী ব্যক্তিরা এবং বড়শুল কিশোর সংঘের সদস্য ও সদস্যাবৃন্দ
“সামাজিক কর্মসূচিতে অন্যান্য ক্লাবের থেকে অনেক এগিয়ে বড়শুল কিশোর সংঘ’ বললেন-বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক।












Leave a Reply