
মুর্শিদাবাদ, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ বিধানসভা এলাকার ধুলিয়ান শহরের সুলিতলা গ্রামে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে আসতে চলেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
ধুলিয়ানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি অপ্রীতিকর ঘটনার পর একাধিক যুবক বর্তমানে জেলবন্দি। যদিও ঘটনার পর কিছু যুবক জামিনে মুক্তি পেয়েছেন, তবে এখনও পর্যন্ত বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ‘রক্তযোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত মুস্তাকিম ও কাওসার জামিন পাননি। এই পরিস্থিতিতেই তাঁদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ধুলিয়ানের সুলিতলা গ্রামে আসছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর—এমনটাই স্থানীয় সূত্রে খবর।
❓ রাজনৈতিক প্রশ্ন: তবে কি সামশেরগঞ্জে প্রার্থী দেবেন হুমায়ুন কবীর? ভরতপুরের বিধায়কের এই সফরকে কেন্দ্র করে উঠছে বড় প্রশ্ন—
তবে কি হুমায়ুন কবীর সামশেরগঞ্জ বিধানসভায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে চাইছেন?
অনেকের মতে, আসন্ন দিনে JUP পার্টি সামশেরগঞ্জে প্রার্থী দিতে চলেছে কি না, সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে এই সফর।
বিশেষ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে সামশেরগঞ্জে তিনজন বিধায়ক
একজন সাংসদ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে মুস্তাকিম ও কাওসার জামিন না পাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে তাঁদের পরিবার ও সমর্থকরা।
️ পরিবারে বিস্ফোরক অভিযোগ মুস্তাকিমের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে—“ঘটনার পর থেকে আজ পর্যন্ত একবারও কোনও সাংসদ বা বিধায়ক আমাদের বাড়িতে এসে খোঁজ নেয়নি। ফোন পর্যন্ত করেনি। আমরা ন্যায়বিচার চাইছি, রাজনীতি নয়।”
পরিবারের আরও দাবি,
“যদি এত জনপ্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও আমাদের ছেলে জামিন না পায়, তাহলে সাধারণ মানুষের পাশে কারা আছে—সেই প্রশ্ন উঠছে।”
এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবীরের সরাসরি বাড়িতে এসে পরিবারের সঙ্গে কথা বলাকে অনেকেই রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন।
নজর সব দিকে এখন দেখার, হুমায়ুন কবীরের এই সফরের পর আইনি বা রাজনৈতিকভাবে কোনও অগ্রগতি হয় কি না,
এবং তাঁর বক্তব্যে সামশেরগঞ্জের ভবিষ্যৎ রাজনীতির কোনও ইঙ্গিত মেলে কি না।
তাহলে কি রক্ত যোদ্ধা ধুলিয়ানের শুলিতলা গ্রামের মোস্তাকিম ও কাউসার জামিন পেতে চলেছে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের প্রচেষ্টায়। এই নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।












Leave a Reply