
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- স্কুলেই যদি মহিলা কর্মী নিরাপদ না হন, তবে নিরাপত্তা দেবে কে?
বামনগোলায় এক মহিলা অশিক্ষক কর্মী ও পড়ুয়াদের মধ্যে মারধরের ভিডিও ভাইরাল হওয়া চাঞ্চল্য এলাকা জুড়ে। তীব্র প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
মালদার বামনগোলার জগদ্দলা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহিলা অশিক্ষক কর্মী ও পড়ুয়াদের মধ্যে মারধরের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শিক্ষাঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক প্রশ্ন উঠেছে। স্কুলের ভিতরেই যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কোথায়? উঠছে সেই প্রশ্নও। ঘটনাকে ঘিরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমিত হালদারের ভূমিকা নিয়েও সামনে এসেছে একাধিক গুরুতর অভিযোগ।
নিগৃহীত কর্মী প্রতিমা মণ্ডলের অভিযোগ, এক প্রাক্তন ছাত্রের ট্রান্সফার সার্টিফিকেটে ভুল তথ্য লেখার জন্য তাঁকে চাপ দিয়েছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে চড় মারা হয় বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তাঁর পাল্টা দাবি, তিনি শুধু সার্টিফিকেট লিখে দিতে বলেছিলেন এবং উল্টে তাঁকেই চড় মারা হয়। এরপরই ছাত্রছাত্রীরা দেখতে পেয়ে মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে জানতে চাইলে ছাত্র ছাত্রীর উপরে মারধর করা বলে অভিযোগ সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হয় ।
কিন্তু ঘটনার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক উঠে এসেছে
এখন প্রশ্ন হল, এত গুরুতর অভিযোগ যদি আগেই পুলিশের কাছে জানানো হয়ে থাকে, তাহলে তদন্ত কোথায় থেমে ছিল? অভিযোগের পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? সেই নিষ্ক্রিয়তার সুযোগেই কি পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়ে উঠল?
ঘটনার পর প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় প্রতিমাদেবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাঁকে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
অন্যদিকে ছাত্রছাত্রীরা অভিযোগ করে বলছেন একজন মহিলা অশিক্ষক কর্মী কর্মক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকে চড় মারা হয়েছে এই নিয়ে স্কুলেই হইচই পড়ে যায়। এই পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে বামনগোলা থানার পুলিশ












Leave a Reply