পূর্ব বর্ধমান, রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীঃ- পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান স্টেশন। পূর্ব রেলের এক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের মধ্যে বর্ধমান স্টেশন। প্রচুর সংখ্যক মানুষ প্রতিনিয়ত বর্ধমান স্টেশনে যাতায়াত করেন। মানুষের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিনিয়ত বর্ধমান স্টেশনে হকারের সংখ্যা বেড়েছে। সেই রকম বর্ধমান স্টেশন ঠেলাগাড়ি করে সীতাভোগ মিহিদানা বিক্রি করেন প্রায় ৫০০ জন হকার। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের উচ্ছেদের জন্য উপস্থিত হয় রেল পুলিশ। হকাররা তাদের কথা বিজেপি নেতা খোকন সেন কে জানান। বিজেপি নেতা খোকন সেন তৎক্ষণাৎ ফোন করেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ সুরেন্দ্রজিৎ সিং আলুয়ালিয়াকে। সাংসদ ফোন মারফত জানিয়ে দেন হকারদের উচ্ছেদ করা যাবে না। তারপরই সেখান থেকে চলে যায় রেল পুলিশ। সাংসদদের এই কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বর্ধমান স্টেশনে থাকা ৫০০ জন সীতাভোগ মিহিদানা বিক্রেতা। এই বিষয়েএক মিহিদানা বিক্রেতা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বর্ধমান স্টেশনে ঠেলাগাড়িতে সীতাভোগ নিয়ে দানা বিক্রি করি এবং শুধু আমরা নয় আমাদের বাবা কাকারা এই কাজই করতেন। হঠাৎই গতকাল রাতে হাওড়া ডিভিশনের রেল পুলিশ এসে আমাদের উঠে যাওয়ার কথা বলেন এবং আমরা খানিকটা ভীতস্থিত হয়ে পড়ি। কারণ এই করেই আমাদের সংসার চলে। সাংসদের তত্ত্বাবধানে আমাদের এই ৫০০ জনের ঠেলাগাড়ি বাঁচলো তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কে।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, দেখুন এস এস আলুওয়ালিয়াজী একজন বলিষ্ঠ সাংসদ। তিনি জানি আর সংসদীয় কাজকর্ম এবং তার লোকসভা কেন্দ্রের প্রত্যেকটি খবর তিনি রাখেন। সাংসদ হওয়া মানে শুধুমাত্র মানুষের কাছে যাওয়া বা দোকানে বসে চা খাওয়া আর লোককে হাত নাড়িয়ে চলে যাওয়া নয়। গতকাল রাতেও একজন সাংসদ কে ফোন করা হয়।তিনি তখন আর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এতেই বোঝা যায় যারা কুৎসা করছিল তারা সঠিক নয়।
সংসদের তত্ত্বাবধানে উচ্ছেদের হাত থেকে রক্ষা পেলেন ৫০০ জন মিষ্টি বিক্রেতা।












Leave a Reply