পূর্ব মেদিনীপুর-তমলুক, নিজস্ব সংবাদদাতা:– পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক হেড পোস্ট অফিসের পক্ষ থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ওপর বিশেষ পোস্টাল খাম উদ্বোধন হল ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার। তমলুক শহরের নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আগমন দিনের স্মরণে বিশেষ খাম উদ্বোধন হল। ১৯৩৮ সালের ১১ এপ্রিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তমলুকে এসে ছিলেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তমলুকে স্বদেশী নেতা কর্মীদের নিয়ে রাজবাড়ীর খোস রঙের মাঠে একটি বৈঠকও করেন। নেতাজির তমলুক আসার স্মৃতিতে তমলুক ডাক বিভাগের উদ্যোগে বিশেষ খাম উদ্বোধন হল। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অবিভক্ত মেদিনীপুর। স্বাধীনতা আমি মাটি মেদিনীপুরের মানুষ জন বারবার ব্রিটিশের রক্তচক্ষু অপেক্ষা করে গর্জে উঠেছে। সশস্ত্র আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যায়নি বাড়ির মেয়েরাও অভিযোগটা মেদিনীপুরের এই তমলুকেই প্রতিষ্ঠা হয়ে ছিল তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার ১৯৪২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তমলুকের স্বদেশীদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাম্রলিপ্ত নগরীর রাজা ও রাজবাড়ীর অন্যান্য সদস্যরা। তমলুকের স্বদেশী নেতা ও কর্মীদের নিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের ভবিষ্যৎ রূপরেখা কি হবে তা নিয়ে বৈঠক করতে আসেন কংগ্রেসের সভাপতি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ১৯৩৮ সালের ১১ এপ্রিল তিনি ট্রেনে করে পাঁশকুড়া স্টেশনে আসেন। তারপর গাড়িতে করে তমলুকে এসে পৌঁছান তিনি। সেই সময় ব্রিটিশ রক্ত চক্ষুর ভয়ে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সভাস্থল কোথায় হবে তা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। কিন্তু সে সময়ও এগিয়ে আসেন তাম্রলিপ্ত রাজ পরিবার। রাজ পরিবারের খোশ রঙের মাঠে আমগাছ কেটে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সভার আয়োজন করা হয়। ২০২৩ এর ১১ এপ্রিল নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের তমলুকে আসার ৮৫ তম বর্ষপূর্তি। এদিন তমলুকে এদিন তমলুকে নেতাজি আসার ৮৫ তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় ডাক বিভাগের উদ্যোগে তমলুক হেড পোস্ট অফিসের পক্ষ থেকে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র আসার দিনটিকে স্মরণে রাখতে বিশেষ পোস্টাল খাম উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন কলকাতা গ্র্যান্ড পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার শশী শালিনী কুজুর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাম্রলিপ্ত রাজ পরিবারের সদস্য তথা তাম্রলিপ্ত পৌরসভার চেয়ারম্যান ডঃ দীপেন্দ্র নারায়ন রায় সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবর্গেরা।
তমলুক হেড পোস্ট অফিসের পক্ষ থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ওপর বিশেষ পোস্টাল খাম উদ্বোধন হল।












Leave a Reply