হরিরামপুরে পঞ্চায়েতের উদ্বোধনী ফলকে, রাজ্যের মন্ত্রীর নাম ঢেকে দেওয়ার অভিযোগ, বিডিওর দারস্ত ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।

নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ- হরিরামপুর, হরিরামপুর ব্লকের অন্তর্গত সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত,কিন্তূ বারংবার এই সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে উঠেছে বিতর্ক। এবার এই সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন উদ্বোধনের যে ফলক রয়েছে সেই ফলকে রাজ্যের ক্রেতা ও সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের নাম ছিলো সেটির ওপর সাদা কাগজ দিয়ে ঢেকে দেওয়ায় শুরু হয়েছে নয়া বিতর্ক। এই সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২৪টি আসনের মধ্যে বিগত নির্বাচনে তৃণমূল ১২টি সিপিএম ৪টি বিজেপি ২টি আরএসপি ১টি , কংগ্রেস ৩টি নির্দল সদস্য ২টি আসন পায় এর ফলে নির্বাচনের পর প্রধান গঠনের ক্ষেত্রে সমস্যায় সৃষ্টি হয় এরই মধ্যে নির্বাচনে জেতা কংগ্রেসের তিন সদস্যের মধ্যে ২ সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের মোট সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ জন। কিন্তু বাম কংগ্রেস আরএসপি নির্দল বিজেপি এদের নিয়ে এই সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচনকে ঘিরে ত্রিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে এই সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গঠন হয়ে যায়। পঞ্চায়েত প্রধান হন মনোয়ারা বেগম। আবারো নতুন বিতর্কে সৃষ্টি হল সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নতুন পঞ্চায়েত ভবনের শুভ উদ্বোধনের ফলকে ঘিরে মঙ্গলবার দুপুর তিনটায় হরিরামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হরিরামপুর ব্লকের বিডিওকে এই ঘটনার বিষয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবার জন্য একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে বর্তমান পঞ্চায়েত প্রধান মনোয়ারা বেগম জানান “এই বিষয়ে তার সেভাবে কিছু জানা নেই। সৈয়দপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গোলাম ফারুক আজম বলেন “রাজ্যের মন্ত্রীর নাম কাগজ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে পঞ্চায়েতে, পঞ্চায়েতি রাজ না হয়ে একনায়কতান্ত্রিক ও দল বিরোধী কার্যকলাপে ব্যস্ত পঞ্চায়েত প্রধান ও তার সাগরেদরা।” হরিরামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ইয়াসিন আলী জানান এই ধরনের ঘটনা খুবই নিন্দনীয় কারণ এই পঞ্চায়েতের উদ্বোধক হিসাবে রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের নামের যে ফলক সেই ফলককে সাদা কাগজ দিয়ে ঢেকে দেওয়ার উদ্দেশ্য একটাই যেনতেন প্রকারে রাজ্যের মন্ত্রী তথা হরিরামপুর বিধানসভার বিধায়ক বিপ্লব মিত্রের নামের পাশাপাশি দলকে কালিমা লিপ্ত করার একটা অপপ্রয়াস। এরা যে অভিসন্ধি করেছে সেটা কোনোভাবেও স্বার্থ সিদ্ধি করতে পারবে না। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিজেপি সিপিএম আরএসপি কংগ্রেস ও নির্দলদের নিয়ে যে ঘর করছেন তাতে আগামী দিনে পঞ্চায়েতের অবস্থা আরো খারাপ হবে এলাকার মানুষজন পঞ্চায়েতের তরফে সে ধরনের সুবিধা পাবেন না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *