
হে পথিক, বিষন্ন বিষণ্ণতা কাটাও …
অর্ধেক জীবন হাঁটলে মরুপথে, ক্লান্তি
ছাড়া কিছুই পাওনি,বিষণ্ণতা কাটাও।
অনেক বসন্ত এলো,গেলো,চাঁদ ডুবে
মরে গেল নদীর চড়ায়,পৃথিবীতে মায়াহীন
মানুষের সংখ্যা বেশি, বিষণ্ণতা কাটাও।
মায়াজাল থেকে ছিন্ন করো নিজেকে,
পরিবর্তনের চোরা স্রোত বইছে চরাচরে-
কারো মুখ দেখে কেউ অঙ্ক কষছে কষুক।
আকাশে রামধনু রঙা মেঘ হাসছে,
সুবর্ণ গোলকের সন্ধানে সবাই ব্যস্ত,
দুঃসময়ে থাকলেও ভুলে যাবে চরাচর।
মায়া হরিণের চোখে বিদ্ধ তোমার হৃদয়,
বর্ণহীন থেকে যাবে শাশ্বত, ‘ও’ সৌরভ তোমার
জন্য নয়,শরশয্যার আগে বিষণ্ণতা কাটাও।
রাতে শুতে যাওয়ার আগে পাঠানো টিউলিপ
সাময়িক স্বস্তি এনে দিলেও বিষণ্ণতা বাড়ায়,
সামনে কৃষ্ণসায়র,খেলছে মরাল,মরালীর জন্য।
বারবার অবহেলার পাত্র হয়োনা,তুমি নির্মল,
স্বচ্ছ,সামনে এগিয়ে চলো,পথ চলতে চলতে
পৌঁছে যাবে উপত্যকায়,নৈসর্গিকতায় ডুব দাও।
উপত্যকায় নির্ভেজাল মায়া,হৃদয়ের কলতানে
জাগরিত হবে সে নিঃস্বার্থ মায়া,যে বন্ধনের গতি
প্রকৃতি নেই জেনেও তুমি সচেষ্ট থেকো মায়ার জন্য।
হে পথিক,কাটাও মায়া,তবু শপথ ভেঙো না,
নির্ভরতার হাত ছেড়ে না,সামনে হলুদ ফুলের ঝড় ঝড়ে মেশো,ঐ ঝড় নবজীবনের উদ্বোধনী সঙ্গীত।
——–












Leave a Reply