
উপকরণ
মাছের জন্য
কই মাছ – ৬টি মাঝারি
হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
লবণ – স্বাদমতো
সর্ষের তেল – ভাজার জন্য
ঝোলের জন্য
টক দই – ১ কাপ
পেঁয়াজ বাটা – ৩ টেবিল চামচ
আদা বাটা – ১½ টেবিল চামচ
রসুন বাটা – ১ চা চামচ
কাজুবাদাম বাটা – ২ টেবিল চামচ
জিরা গুঁড়ো – ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়ো – ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো – ½ চা চামচ
কাশ্মীরি লাল লঙ্কা গুঁড়ো – ১ চা চামচ
তেজপাতা – ২টি
দারুচিনি – ১ টুকরো
এলাচ – ৩টি
লবঙ্গ – ৩টি
কাঁচালঙ্কা – ৬টি
ঘি – ১ চা চামচ
চিনি – ১ চা চামচ
লবণ – স্বাদমতো
গরম জল – ২ কাপ
বিস্তারিত প্রণালী
প্রথমে কই মাছ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। কই মাছের পিচ্ছিল ভাব দূর করতে সামান্য লবণ দিয়ে ঘষে ধুয়ে নেওয়া ভালো।
এরপর মাছে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন।
একটি কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে মাছগুলো মাঝারি আঁচে সোনালি করে ভেজে তুলে রাখুন।
এখন একটি বাটিতে টক দই ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন যাতে কোনো দলা না থাকে।
একই কড়াইয়ে তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ ও লবঙ্গ ফোড়ন দিন।
সুগন্ধ বের হলে পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ধীরে ধীরে কষাতে শুরু করুন।
পেঁয়াজ বাদামি হয়ে এলে আদা ও রসুন বাটা যোগ করুন।
এরপর হলুদ, জিরা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো এবং কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো অল্প গরম জল দিয়ে মিশিয়ে কড়াইয়ে দিন।
মশলা ভালোভাবে কষাতে থাকুন যতক্ষণ না তেল ওপরে ভেসে ওঠে।
এখন কাজুবাদাম বাটা মিশিয়ে আরও ২–৩ মিনিট কষান।
আঁচ কমিয়ে ধীরে ধীরে ফেটানো দই যোগ করুন এবং ক্রমাগত নাড়তে থাকুন যাতে দই ফেটে না যায়।
দই মিশে গেলে লবণ, চিনি ও গরম জল যোগ করুন।
ঝোল ফুটতে শুরু করলে ভাজা কই মাছ কড়াইয়ে আলতোভাবে দিয়ে দিন।
কাঁচালঙ্কা ছড়িয়ে ঢেকে ১০ মিনিট রান্না করুন।
রান্নার সময় মাছের স্বাদ, দইয়ের মোলায়েম ভাব এবং কাজুবাদামের সমৃদ্ধতা ঝোলকে অত্যন্ত সুস্বাদু করে তুলবে।
ঝোল সামান্য ঘন হয়ে এলে ওপরে ঘি ও গরম মসলা ছড়িয়ে দিন।
চুলা বন্ধ করে ৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন।
️ পরিবেশন
গরম সাদা ভাত, বাসমতি ভাত বা হালকা পোলাওয়ের সঙ্গে কই মাছের দই ঝোল পরিবেশন করুন।
দইয়ের মোলায়েম স্বাদ, কই মাছের অনন্য গন্ধ এবং হালকা মশলাদার ঝোল এই পদটিকে বাঙালি রান্নাঘরের একটি বিশেষ ও ঐতিহ্যবাহী মাছের রেসিপিতে পরিণত করেছে। এটি অতিথি আপ্যায়ন কিংবা বিশেষ পারিবারিক ভোজের জন্যও অত্যন্ত উপযোগী।












Leave a Reply