
উপকরণ
প্রধান উপকরণ
গলদা চিংড়ি – ৮টি বড়
কলাপাতা – ৮টি মাঝারি টুকরো
সাদা সর্ষে – ২ টেবিল চামচ
কালো সর্ষে – ১ টেবিল চামচ
নারকেল কোরানো – ½ কাপ
পোস্তদানা – ১ টেবিল চামচ
কাঁচালঙ্কা – ১০–১২টি
সর্ষের তেল – ৮ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো – ½ চা চামচ
লবণ – স্বাদমতো
চিনি – ½ চা চামচ
বাঁধার জন্য
সুতো বা কলাপাতার ফালি
বিস্তারিত প্রণালী
প্রথমে গলদা চিংড়িগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। মাথা রেখে দিলে স্বাদ আরও বাড়ে। পিঠের কালো শিরা বের করে ধুয়ে নিন।
চিংড়ির গায়ে সামান্য হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন।
সাদা সর্ষে, কালো সর্ষে ও পোস্তদানা ২০ মিনিট গরম জলে ভিজিয়ে রাখুন।
ভিজে গেলে এর সঙ্গে নারকেল কোরানো, ৫–৬টি কাঁচালঙ্কা এবং সামান্য লবণ দিয়ে মিহি বাটা তৈরি করুন।
একটি বড় বাটিতে এই বাটা নিয়ে তার মধ্যে সর্ষের তেল, চিনি ও প্রয়োজনমতো লবণ মিশিয়ে নিন।
এখন চিংড়িগুলো এই মশলার মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।
অন্তত ৩০ মিনিট মেরিনেট হতে দিন।
এদিকে কলাপাতাগুলো হালকা গরম করে নরম করে নিন যাতে সহজে ভাঁজ করা যায়।
প্রতিটি কলাপাতার মাঝখানে সামান্য মশলা ছড়িয়ে দিন।
তার ওপর একটি চিংড়ি রাখুন।
ওপরে আরও কিছু সর্ষে-নারকেলের মশলা ও ১–২টি কাঁচালঙ্কা দিন।
এখন কলাপাতা চারদিক থেকে ভাঁজ করে প্যাকেট বানিয়ে সুতো দিয়ে বেঁধে দিন।
সব পাতুরি তৈরি হলে স্টিমারে সাজিয়ে রাখুন।
মাঝারি আঁচে ২০–২৫ মিনিট ভাপে রান্না করুন।
স্টিমার না থাকলে তাওয়ার উপর ঢেকে অল্প আঁচে দুই পাশ ১০ মিনিট করে সেঁকে নিতে পারেন।
রান্নার সময় কলাপাতার ধোঁয়াটে গন্ধ, সর্ষের ঝাঁঝ এবং চিংড়ির মিষ্টি স্বাদ একসঙ্গে মিশে অসাধারণ সুবাস তৈরি করবে।
ভাপ হয়ে গেলে ৫ মিনিট বিশ্রাম দিন।
তারপর পরিবেশনের সময় কলাপাতার প্যাকেট খুলে গরম গরম পরিবেশন করুন।
️ পরিবেশন
গরম সাদা ভাতের সঙ্গে গলদা চিংড়ির সর্ষে নারকেল পাতুরি পরিবেশন করুন।
সর্ষের ঝাঁঝ, নারকেলের মোলায়েম স্বাদ, কলাপাতার সুবাস এবং গলদা চিংড়ির রসালো মাংস এই পদটিকে বাঙালি রান্নার অন্যতম অভিজাত ও সুস্বাদু রেসিপিতে পরিণত করেছে। বিশেষ উৎসব, অতিথি আপ্যায়ন বা রবিবারের মধ্যাহ্নভোজে এই পাতুরি নিঃসন্দেহে সবার মন জয় করবে।












Leave a Reply