
রাজীব দত্ত, কলকাতা :-২৪ ও ২৫ জুলাই, ইনস্টিটিউট অফ হিস্টোরিকাল স্টাডিজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ৪৩ তম জাতীয় জুনিয়র রিসার্চ স্কলারস্ সেমিনার।
দুই দিনের এই অনুষ্ঠানে শেষ দিনে সমবেত জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের
মাধ্যমে সেমিনারের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, ইনস্টিটিউট অফ হিস্টোরিকাল স্টাডিজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিরেক্টর ড. উজ্জ্বল রায়,গভ. নমিনি,অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়, এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য ড. মহীতোষ গায়েন, ড. জয়শ্রী মুখার্জি, অধ্যাপক পূর্ণিমা মুখার্জি,ড. সৌমি দাস , অধ্যাপক অয়ন বন্মুদোপাধ্যায় প্রমুখ।
কেন্দ্ৰীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্ৰী সুকান্ত মজুমদার তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে ইতিহাস চর্চার নানা দিক তুলে ধরে গবেষক ও অধ্যাপকদের উদ্দেশ্যে বলেন ,প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে পারলেই ইতিহাস চর্চা ও সাধনা পূর্ণতা পাবে যা বিগত দুই সরকারের আমলে সত্যনিষ্ঠ ইতিহাস গবেষণা ও প্রকৃত বিজ্ঞানভিত্তিক ইতিহাস চর্চা সেভাবে হয়নি, ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ইতিহাসে স্থান পাইনি,ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের উজ্জ্বল ইতিহাসও তুলে ধরা হয়নি, এবিষয়ে গবেষকদের আরো দায়িত্বশীল হতে হবে।
বার্ষিক প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে
ড. এস.পি সেন মেমোরিয়াল স্মারক বক্তৃতা দেন ড. কাঞ্চনা মুখোপাধ্যায়।
২৪ ও ২৫ জুলাই এই দু’দিনের অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ইনষ্টিটিউট অফ হিস্টোরিকাল স্টাডিজে যেমন প্ৰতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এস পি সেন মেমোরিয়াল লেকচার হয় , তেমনি দ্বিতীয় দিনে জুনিয়ার রিসার্চ ফেলো সেমিনারে ২০ জন গবেষক তাদের গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
ইনস্টিটিউট- এর পক্ষ থেকে তার হাতে তুলে দেওয়া সংস্থার মূল্যবান গ্রন্থ। বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক, লেখক, সিটি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল তথা ইনস্টিটিউট এর পরিচালন সমিতির নির্বাচিত সদস্য ড. মহীতোষ গায়েন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের হাতে তুলে দেন তাঁর সম্পাদিত গবেষণা গ্রন্থ ‘সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস চর্চায় নারী, অলিন্দ থেকে উত্তরণ ‘
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইন্সটিটিউট -এর
পি ,আর .ও অবর্ণ চট্টোপাধ্যায়।
সেমিনারে উদ্বোধনী ভাষণ শেষে অধ্যাপক মজুমদার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন , গুন্ডা দমন আইন যথাযথ প্রয়োগ অপরিহার্য, এবং তার মধ্যে দিয়ে বঙ্গ সংস্কৃতিতে দুই সরকারের আমলে পরিচালিত গুন্ডারাজ দমন করে পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র সুরক্ষিত হবে।












Leave a Reply