
হুগলি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- অবৈধ চোলাই মদের বিরুদ্ধে সিঙ্গুর থানার নজিরবিহীন অভিযান — ২৩টি মামলা, ২৩ জন গ্রেফতার, বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ ও ফারমেন্টেড ওয়াশ ধ্বংস
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশনা এবং ড. কুনওয়ার ভূষণ সিং, IPS, পুলিশ সুপার, হুগলি গ্রামীণের নির্দেশক্রমে, ডিএসপি (হেডকোয়ার্টার্স), হুগলি গ্রামীণ-এর নিবিড় তত্ত্বাবধানে এবং সিঙ্গুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের নেতৃত্বে আজ সিঙ্গুর থানার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ চোলাই মদের উৎপাদন, মজুত, পরিবহণ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এক ব্যাপক ও সুপরিকল্পিত বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে—
– ২৩টি পৃথক বেঙ্গল এক্সাইজ আইনের মামলা রুজু করা হয়েছে।
– ২৩ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
– প্রায় ৭২০ লিটার অবৈধ চোলাই মদ উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
– প্রায় ২,৫০০ লিটার ফারমেন্টেড ওয়াশ (F.Wash) ঘটনাস্থলেই সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।
– অবৈধ মদ প্রস্তুতের কাজে ব্যবহৃত ভাটি (Oven), চোলাই তৈরির সরঞ্জাম এবং অন্যান্য অপরাধমূলক সামগ্রী ধ্বংস করা হয়েছে, যাতে পুনরায় এই অবৈধ কার্যকলাপ চালানো না যায়।
অবৈধ চোলাই মদ শুধু আইনভঙ্গ নয়, এটি সাধারণ মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এই ধরনের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে প্রায়শই সংগঠিত অপরাধ, আর্থিক শোষণ এবং প্রাণহানির ঝুঁকি জড়িত থাকে। তাই এই অপশক্তির বিরুদ্ধে হুগলি গ্রামীণ পুলিশ “Zero Tolerance Policy” গ্রহণ করেছে।
সিঙ্গুর থানার লক্ষ্য — “অবৈধ মদমুক্ত সিঙ্গুর”। এই লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান আরও জোরদারভাবে ও ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে। অবৈধ চোলাই মদের উৎপাদন, পরিবহণ, মজুত কিংবা বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তি বা চক্রকে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না।
এই সফল অভিযানের জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা হুগলি গ্রামীণ পুলিশের পুলিশ সুপার ড. কুনওয়ার ভূষণ সিং, IPS-এর দৃঢ় নেতৃত্ব এবং সিঙ্গুর থানার কার্যকর পদক্ষেপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। জনসাধারণের সহযোগিতা ও আস্থাই পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি।
“নিরাপদ সমাজ গড়তে অবৈধ মদের বিরুদ্ধে আপসহীন অভিযান অব্যাহত থাকবে।”












Leave a Reply