
মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা: —ভূতনীকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করার ডবল ইঞ্জিনের সরকারের সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল বৃহস্পতিবার। অবশেষে পরপর দুটি বাঁধ ভেঙে হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করল ভূতনীর সংরক্ষিত এলাকার দিকে। ফলে গত দু’বছরের মতো এবারও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হল মালদার মানিকচকের ভূতনীতে। উল্লেখ্য, রাজ্যে ডবল ইঞ্জিনের সরকার গঠনের পর মানিকচকের বিজেপি বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মন্ডল এবছর যেকোন উপায়ে ভূতনীকে রক্ষা করার আশ্বাসবাণী শুনিয়েছিলেন। বারংবার তার মুখে শোনা গেছে, এবছর বাঁধ ভেঙে জল ঢুকতে দেওয়া হবেনা ভূতনীতে। যেকোন উপায়ে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করবেন ভূতনীবাসীকে। এজন্য নতুন রাজ্য সরকারের আমলে ভূতনীর কেশরপুরের কাছে পুরনো রিং বাঁধের অদূরে আরও একটি অস্থায়ী রিং বাঁধ তৈরি করা হয়। কিন্তু এতকিছুর পরেও বৃহস্পতিবার সাত সকালে কেশরপুর কালুটনটোলার কাছে গঙ্গার প্রবল জলরাশির ধাক্কায় প্রথমে পুরনো রিং বাঁধের ২০ মিটারের মতো অংশ ভেঙে যায়। ফলে বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে গঙ্গার জল হু হু করে ভূতনীর অসংরক্ষিত এলাকার দিকে ঢুকতে শুরু করে। উল্লেখ্য, এই বাঁধটিই গত এক এবছর আগে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হয়েছিল ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দে। এদিন সেই বাঁধেরই একাংশ প্রথমে কেটে যায়। এরপর বাঁধের কাটা অংশের অদূরে নতুন রাজ্য সরকারের আমলে কয়েক লক্ষ টাকা বরাদ্দে তৈরি করা হয়েছিল নতুন একটি অস্থায়ী রিং বাঁধ। সেই বাঁধটিও জলের তোড়ে কার্যত বালির বাঁধের মতোই ধসে পড়ে। এরপর সেই বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করে ভূতনীর সংরক্ষিত এলাকার দিকে। ফলে গত দু’বছরের মতো এবারও ভূতনীতে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়। ফলে এখন চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে ভূতনীবাসীর।












Leave a Reply