হোমাই ব্যারাওয়ালা : ক্যামেরায় ইতিহাস ধরে রাখা ভারতের প্রথম সারির মহিলা ফটোসাংবাদিক।

ইতিহাসের বইয়ে আমরা স্বাধীনতার কথা পড়ি, দেশভাগের কথা পড়ি, রাষ্ট্রনায়কদের কথা জানি। কিন্তু ইতিহাসের সেই মুহূর্তগুলো যদি চোখের সামনে ছবির মতো জীবন্ত হয়ে ওঠে, তার পেছনে থাকেন কিছু নীরব সাক্ষী। তাঁরা কথা বলেন না, বক্তৃতা দেন না—ক্যামেরার লেন্সের মাধ্যমে সময়কে ধরে রাখেন।

ভারতের ফটোসাংবাদিকতার ইতিহাসে এমনই এক অসাধারণ নাম হোমাই ব্যারাওয়ালা। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, যখন সংবাদপত্রের জগতে মহিলা ফটোসাংবাদিকের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত বিরল, তখন তিনি ক্যামেরা হাতে দেশের নানা ঐতিহাসিক মুহূর্তকে বন্দি করেছিলেন।

তাঁর তোলা ছবির মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতার সময়কার দিল্লি, দেশের প্রথম সারির রাজনৈতিক নেতাদের নানা মুহূর্ত, বিদেশি রাষ্ট্রনায়কদের ভারত সফর এবং সাধারণ জীবনের বহু দৃশ্য। তাঁর ছবিগুলো শুধু সংবাদচিত্র ছিল না—সময়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের দৃশ্যমান দলিল হয়ে উঠেছিল।

শৈশব থেকেই অন্যরকম দৃষ্টিভঙ্গি

হোমাই ব্যারাওয়ালার জন্ম ৯ ডিসেম্বর ১৯১৩ সালে গুজরাটের নাভসারিতে। তাঁর পরিবার ছিল পারসি সম্প্রদায়ভুক্ত। ছোটবেলায় তিনি মুম্বইয়ে বড় হয়ে ওঠেন।

সে সময় ভারতের সমাজব্যবস্থা আজকের মতো ছিল না। বিশেষ করে কোনও তরুণীর হাতে ক্যামেরা দেখে মানুষের কৌতূহল তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল।

কিন্তু হোমাইয়ের কাছে ক্যামেরা ছিল শুধু ছবি তোলার যন্ত্র নয়। তিনি মানুষের জীবন, শহরের পরিবর্তন, সামাজিক পরিবেশ এবং ঘটনাগুলোকে নিজের চোখে দেখতেন। সেই দেখার ক্ষমতাই ধীরে ধীরে তাঁকে একজন দক্ষ ফটোগ্রাফারে পরিণত করে।

ছাত্রজীবনেই ক্যামেরার সঙ্গে পরিচয়

হোমাই ব্যারাওয়ালা মুম্বইয়ের জে. জে. স্কুল অব আর্টে পড়াশোনা করেন। সেখানেই তাঁর ফটোগ্রাফির প্রতি আগ্রহ আরও গভীর হয়।

তাঁর স্বামী মানেকশ’ ব্যারাওয়ালাও ফটোগ্রাফির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর কাছ থেকেও হোমাই ফটোগ্রাফির প্রযুক্তিগত দিক সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছিলেন।

কিন্তু একজন মহিলা হিসেবে পেশাদার ফটোগ্রাফির জগতে নিজের জায়গা তৈরি করা সহজ ছিল না।

তখন ক্যামেরা, ফিল্ম, ডার্করুম—সবই ছিল তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল এবং পরিশ্রমসাধ্য। তার ওপর সংবাদক্ষেত্রে একজন মহিলা ফটোগ্রাফারকে অনেকেই স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে চাইতেন না।

হোমাই সেই বাধাকে নিজের কাজ দিয়ে অতিক্রম করেন।

প্রথম ছবির পেছনে একটি ছোট ঘটনা

হোমাই ব্যারাওয়ালার ফটোগ্রাফির প্রথম দিকের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে মুম্বইয়ে। একবার একটি কলেজের বার্ষিক অনুষ্ঠানে ছবি তোলার সুযোগ পান তিনি।

সেখানে তিনি এমন কিছু ছবি তোলেন, যা পরে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

ছবি প্রকাশিত হলেও পারিশ্রমিক ছিল অত্যন্ত কম। কিন্তু সেই অর্থের চেয়েও বড় ছিল স্বীকৃতি—তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর তোলা ছবিও সংবাদপত্রে জায়গা করে নিতে পারে।

এই ছোট সুযোগই পরবর্তীকালে তাঁর পেশাগত জীবনের দরজা খুলে দেয়।

দিল্লিতে নতুন অধ্যায়

পরে হোমাই ব্যারাওয়ালা দিল্লিতে চলে যান। স্বাধীনতার সময় এবং স্বাধীনতার পরবর্তী বছরগুলোতে দিল্লিই হয়ে ওঠে তাঁর কর্মজগতের প্রধান কেন্দ্র।

দিল্লিতে তখন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটছে। নতুন রাষ্ট্রের প্রশাসন গড়ে উঠছে, বিদেশি রাষ্ট্রনায়কেরা ভারতে আসছেন, দেশের প্রথম প্রজন্মের রাজনৈতিক নেতৃত্ব নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

এই পরিবর্তনশীল সময়কে ক্যামেরায় ধরে রাখেন হোমাই।

তিনি বিভিন্ন সংবাদসংস্থা ও সরকারি তথ্যব্যবস্থার সঙ্গে কাজ করেন। তাঁর পেশাগত জীবনে ব্রিটিশ তথ্য দপ্তর এবং পরে স্বাধীন ভারতের সরকারি তথ্য ও প্রচার ব্যবস্থার সঙ্গেও তাঁর কাজের সম্পর্ক তৈরি হয়।

স্বাধীনতার মুহূর্তের সাক্ষী

ভারতের স্বাধীনতা হোমাই ব্যারাওয়ালার ক্যামেরায় ধরা পড়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক অধ্যায়গুলোর একটি।

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট দিল্লিতে স্বাধীনতার উদযাপন, লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম দিকের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলোর বহু দৃশ্য তিনি ক্যামেরাবন্দি করেন।

তাঁর ছবিগুলো আমাদের সেই সময়ের পরিবেশকে শুধু তথ্য হিসেবে নয়, দৃশ্য হিসেবে অনুভব করার সুযোগ দেয়।

একটি ছবিতে মানুষের ভিড়, অন্যটিতে রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতি, কোথাও আবার সাধারণ মানুষের মুখ—এই সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল স্বাধীনতার সময়কার ভারতের একটি দৃশ্যমান চিত্র।

গান্ধীজির শেষযাত্রা

হোমাই ব্যারাওয়ালার তোলা ঐতিহাসিক ছবিগুলোর মধ্যে মহাত্মা গান্ধীর শেষযাত্রার ছবিও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

১৯৪৮ সালের জানুয়ারিতে গান্ধীজির হত্যার পর তাঁর শেষযাত্রায় মানুষের যে বিশাল সমাগম হয়েছিল, সেটি ছিল স্বাধীন ভারতের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাবিধুর মুহূর্ত।

সেই শোকাবহ দৃশ্যও হোমাইয়ের ক্যামেরায় ধরা পড়ে।

ছবিগুলো দেখলে বোঝা যায়, একজন ফটোসাংবাদিক শুধু ঘটনাকে অনুসরণ করেন না—কখনও কখনও তিনি এমন এক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে যান, যার গুরুত্ব কয়েক দশক পর আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

নেহরু থেকে বিদেশি রাষ্ট্রনায়ক

হোমাই ব্যারাওয়ালা স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর বহু ছবি তুলেছিলেন।

নেহরুকে শুধু আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে নয়, তুলনামূলক স্বাভাবিক মুহূর্তেও তাঁর ক্যামেরায় দেখা যায়।

এছাড়া ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়ক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ভারত সফরের ছবিও তিনি তুলেছেন।

১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে দিল্লির রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জীবনের যে দৃশ্য আমরা আজ ঐতিহাসিক নথি হিসেবে দেখি, তার একটি অংশ তৈরি হয়েছে হোমাইয়ের মতো ফটোসাংবাদিকদের কাজের মাধ্যমে।

শুধু রাজনীতি নয়

হোমাইয়ের কাজকে শুধু রাষ্ট্রনেতাদের ছবির মধ্যে সীমাবদ্ধ করলে ভুল হবে।

তিনি সাধারণ মানুষের জীবনও ক্যামেরায় ধরেছেন। দিল্লির রাস্তা, সামাজিক অনুষ্ঠান, শিশু, মানুষের দৈনন্দিন জীবন—বিভিন্ন ধরনের দৃশ্য তাঁর ফটোগ্রাফিতে উঠে এসেছে।

এই বৈচিত্র্যই তাঁর কাজকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

কারণ একটি দেশের ইতিহাস শুধু প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি বা মন্ত্রীদের ইতিহাস নয়। সাধারণ মানুষের জীবনযাপন, পোশাক, রাস্তা, বাড়িঘর, সামাজিক সম্পর্ক—এসবও একটি সময়কে বোঝার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

একজন মহিলা ফটোসাংবাদিকের সংগ্রাম

হোমাই যখন পেশাদার ফটোসাংবাদিক হিসেবে কাজ করছিলেন, তখন সংবাদমাধ্যমে পুরুষদের আধিপত্য ছিল প্রবল।

ক্যামেরা হাতে কোনও মহিলা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অনেকেরই বিস্ময় তৈরি হতো। কিন্তু হোমাই নিজের কাজের দক্ষতা দিয়ে ধীরে ধীরে সেই সংশয় দূর করেন।

তাঁর ছবির গুণমানই হয়ে ওঠে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয়।

তিনি দেখিয়ে দেন, ফটোসাংবাদিকতার মতো পরিশ্রমসাধ্য পেশায় দক্ষতা লিঙ্গের ওপর নির্ভর করে না। একজন ফটোগ্রাফারের সবচেয়ে বড় শক্তি হল তাঁর পর্যবেক্ষণক্ষমতা, সময়জ্ঞান এবং মুহূর্তকে চিনে নেওয়ার ক্ষমতা।

‘ডালডা ১৩’—একটি পরিচিত নাম

হোমাই ব্যারাওয়ালার সঙ্গে ‘Dalda 13’ নামটির একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।

তাঁর গাড়ির নম্বরপ্লেটের সঙ্গে যুক্ত সংখ্যার সূত্রে এই নামটি তাঁর পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে। পরবর্তীকালে তাঁর অনেক ছবির প্রদর্শনী ও পরিচিতির সঙ্গে ‘Dalda 13’ নামটি ব্যবহৃত হয়েছে।

এই নামটি যেন তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের একটি স্বতন্ত্র স্বাক্ষর হয়ে দাঁড়ায়।

দীর্ঘ কর্মজীবনের অবসান

দীর্ঘ কয়েক দশক ফটোসাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থাকার পর হোমাই ধীরে ধীরে পেশাগত জীবন থেকে সরে আসেন।

ডিজিটাল ক্যামেরা ও আধুনিক প্রযুক্তির যুগ শুরু হওয়ার আগের সেই অ্যানালগ ফটোগ্রাফির সময়ে তাঁর কাজের পদ্ধতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

একটি ছবি তোলার অর্থ ছিল ফিল্মে সীমিত সংখ্যক ফ্রেম ব্যবহার করা। ভুল হলে তাৎক্ষণিকভাবে ছবি দেখে সংশোধন করার সুযোগ ছিল না।

তাই প্রতিটি শটের আগে ভাবতে হতো। আলো, বিষয়, ফ্রেম এবং মুহূর্ত—সবকিছু বিচার করে তারপর ক্যামেরার শাটার চাপতে হতো।

এই কারণেই তাঁর ছবিগুলোর মধ্যে পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণের একটি বিশেষ ছাপ দেখা যায়।

জীবনের শেষপর্বে স্বীকৃতি

হোমাই ব্যারাওয়ালার কাজ পরবর্তী প্রজন্মের কাছে নতুন করে মূল্যায়িত হয়।

ভারত সরকার তাঁকে ২০১১ সালে পদ্মবিভূষণে সম্মানিত করে। এই সম্মান তাঁর দীর্ঘ ফটোসাংবাদিকতা জীবনের সরকারি স্বীকৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

কিন্তু পুরস্কারের বাইরেও তাঁর সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার তাঁর ছবিগুলো।

সময়ের সঙ্গে অনেক মানুষের স্মৃতি মুছে যায়। রাজনৈতিক ঘটনা ইতিহাসের পাতায় সংক্ষিপ্ত হয়ে আসে। কিন্তু একটি শক্তিশালী ছবি কখনও কখনও কয়েক দশক পরেও সেই সময়কে মানুষের চোখের সামনে ফিরিয়ে আনতে পারে।

হোমাইয়ের ছবির শক্তি এখানেই।

নারীদের জন্য একটি নতুন পথ

হোমাই ব্যারাওয়ালার সাফল্যের গুরুত্ব শুধু ফটোগ্রাফির ইতিহাসে নয়, নারী পেশাজীবনের ইতিহাসেও রয়েছে।

আজ সংবাদমাধ্যমে বহু মহিলা ফটোগ্রাফার, ভিডিও সাংবাদিক, ক্যামেরাপার্সন ও ফিল্ড রিপোর্টার কাজ করেন। কিন্তু এই পথ তৈরি হওয়ার আগে অনেক মহিলাকেই এমন পেশায় প্রবেশ করতে হয়েছিল যেখানে তাঁদের উপস্থিতি ছিল অস্বাভাবিক।

হোমাই সেই প্রথম সারির পথপ্রদর্শকদের একজন।

তিনি কোনও আন্দোলনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নারী স্বাধীনতার ভাষণ দেননি। বরং নিজের পেশাগত দক্ষতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন—একজন মহিলা কঠিন, প্রতিযোগিতামূলক এবং মাঠভিত্তিক পেশায়ও নিজের জায়গা তৈরি করতে পারেন।

ক্যামেরা যখন ইতিহাসের দলিল

একজন ফটোসাংবাদিকের কাজের মূল্য অনেক সময় তাঁর জীবদ্দশায় পুরোপুরি বোঝা যায় না।

আজ যে ছবি একটি সাধারণ সংবাদচিত্র বলে মনে হয়, পঞ্চাশ বছর পরে সেটিই হয়ে উঠতে পারে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

হোমাই ব্যারাওয়ালার ছবিগুলোর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।

স্বাধীন ভারতের প্রথম কয়েক দশকের রাজনৈতিক পরিবেশ, রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং সাধারণ মানুষের জীবন—সব মিলিয়ে তাঁর ফটোগ্রাফি ভারতের পরিবর্তনের একটি দৃশ্যমান আর্কাইভ তৈরি করেছে।

শেষ কথা

হোমাই ব্যারাওয়ালার জীবন আমাদের সামনে একটি অন্যরকম সাফল্যের গল্প তুলে ধরে।

তিনি কোনও বড় রাজনৈতিক পদে ছিলেন না, কোনও বিশাল প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেননি। তাঁর হাতে ছিল একটি ক্যামেরা। সেই ক্যামেরার লেন্স দিয়ে তিনি নিজের সময়কে দেখেছেন, বুঝেছেন এবং ধরে রেখেছেন।

একজন মহিলা হিসেবে এমন সময়ে ফটোসাংবাদিকতায় প্রবেশ করেছিলেন, যখন এই পেশায় নারীদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত সীমিত। তবু তিনি পিছিয়ে যাননি।

স্বাধীনতার উচ্ছ্বাস, জাতীয় শোক, রাষ্ট্রনায়কদের আনুষ্ঠানিকতা, সাধারণ মানুষের জীবন—সবকিছুকেই তিনি নিজের ছবির মধ্যে জায়গা দিয়েছেন।

তাঁর কাজ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ইতিহাস শুধু বইয়ের পাতায় লেখা হয় না। কখনও ইতিহাস লেখা হয় আলোর রেখায়, ক্যামেরার ফ্রেমে এবং একটি সঠিক মুহূর্তকে ধরে রাখার সাহসে।

হোমাই ব্যারাওয়ালা সেই সাহসী ফ্রেমের কারিগর—ভারতীয় ফটোসাংবাদিকতার ইতিহাসে যাঁর নাম আজও বিশেষ শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *